চলতি আইপিএলে এই প্রথমবার চেন্নাই তাদের পুরনো ছন্দ খুঁজে পেল। সৌজন্যে সঞ্জু স্যামসন। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে অনবদ্য অপরাজিত সেঞ্চুরি করলেন তিনি। সেই সেঞ্চুরির সুবাদে চতুর্থ ম্যাচে গিয়ে প্রথম জয়ের মুখ দেখল সিএসকে। কিন্তু সেই জয়ও হয়ে রইল বিতর্ক বিদ্ধ। আম্পায়ারের একটি সিদ্ধান্তের প্রবল প্রতিবাদ এল দিল্লি ক্যাপিটালস শিবির থেকে। এমনকী মাঠেই আম্পায়ারের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়াতে দেখা গেল দিল্লির দুই ক্রিকেটার ও কোচকে।
শনিবার সঞ্জুর অনবদ্য সেঞ্চুরি সুবাদে ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে তুলে ফেলে ২১২ রান। রান তাড়া করতে নেমে প্রথম দিকে মন্দ খেলছিল না দিল্লি। বিনা উইকেটে ৬১ তুলে দিয়েছিল তারা। তবে তার পর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে দিল্লি। শেষের দিকে একা কুম্ভ রক্ষা করার চেষ্টা ত্রিস্টান স্টাবসের। কিন্তু সঙ্গে রুখে দাঁড়ানোর মতো কাউকে না পেলে জয়ে পৌঁছনো যায় না। এদিন সেটাই হল। সঙ্গীহীনতার নিঃসঙ্গতায় ভুগে ৩৮ বলে ৬০ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে সাজঘরের রাস্তায় হাঁটলেন। স্টাবসের সেই উইকেট নিয়েই যাবতীয় বিতর্ক।
দিল্লির ইনিংসের উনিশতম ওভারে দেখা যায় ডাগ আউটের ধারে আম্পায়ারদের সঙ্গে রীতিমতো উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করছেন দিল্লি ক্যাপিটালস কোচ হেমাঙ্গ বাদানি-সহ দুই ক্রিকেটার নীতীশ রানা ও করুণ নায়ার। বেশ কিছুক্ষণ তর্কাতর্কি চলে। ঠিক তার আগেই আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন দিল্লির শেষ ভরসা স্টাবস। সেই তর্কাতর্কির ছবি ক্যামেরায় ধরাও পড়ে।
কিন্তু কেন ওই তর্কাতর্কি? কেনই বা রেগে গেলেন দিল্লির ক্রিকেটাররা। পরে প্রাক্তন দিল্লি তারকা তথা ধারাভাষ্যকর ফ্যাফ ডু প্লেসিস জানান, যে বলে স্টাবস আউট হলেন, তার ঠিক আগের বলে গ্লাবস বদলাতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আম্পায়ারা অনুমতি দেননি। ঠিক পরের বলেই আউট হয়ে যান স্টাবস। তাতেই ক্ষুব্ধ হয় দিল্লি শিবির। শোনা যাচ্ছে, সরকারিভাবে আম্পায়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার কথাও ভাবছে তারা।
