টানা দু'টি হারের পর বেশ কিছুটা বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিল গুজরাট টাইটান্স। তবে চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে জয়ের সরণিতে ফিরেছে শুভমান গিলের দল। আর ম্যাচ জিতেই বাঁশি হাতে পোজ দিয়ে চেন্নাই সমর্থকদের 'খোঁচা' দিয়েছেন গুজরাট অধিনায়ক। মুখে কিছু না বললেও নেটপাড়ায় এখন রীতিমতো চর্চা গিলকে নিয়ে। তবে তাঁর 'আচরণে' চটে লাল ইয়েলো আর্মি।
১৫৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ‘ধীরে চলো’ নীতি নিয়েছিলেন গুজরাটের দুই ওপেনার শুভমান গিল এবং সাই সুদর্শন। পাওয়ার প্লে-র পরের ওভারে নূর আহমেদের বলে ফেরেন শুভমান গিল। তাঁর সংগ্রহ ২৩ বলে ৩৩। তারপর এমন একটা সময় সাই সুদর্শনের উইকেট পড়ল, গুজরাটের জয়ের জন্য তখন দরকার মাত্র ৪ রান। প্রথম দিকে পিচের চরিত্র বুঝে খুনে মেজেজে অবতীর্ণ হলেন সাই। ৪৬ বলে ৮৭ রানের ‘সুদর্শন’ ইনিংসই টানা দু’ম্যাচ হারের পর জয়ের সরণিতে ফেরায় গুজরাট টাইটান্সকে। সিএসকে'কে ৮ উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে পাঁচে পৌঁছায় শুভমানের দল।
চেন্নাইকে হারিয়ে বিমানে ফেরার পথে ইনস্টাগ্রামে নিজের একটা ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন গুজরাট অধিনায়ক। দেখা গিয়েছে, বিমানের আসনে বসা গিলের হাতে একটি হলুদ হুইসেল। ছবিটির ক্যাপশনে লেখেন, 'নন্দ্রি চেন্নাই' (ধন্যবাদ, চেন্নাই)। সেখান থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। ক্রিকেটপ্রেমীরা এই বাঁশিটিকে চেনেন। চেন্নাইয়ে খেলা থাকলে গোটা গ্যালারিতে হলুদ জার্সি পরে এই বাঁশি বাজিয়ে দলকে উদ্বুদ্ধ করেন সিএসকে সমর্থকরা।
আইপিএলে সিএসকে'র থিম সং 'হুইসেল পোড়ু'। এর বাংলা করলে দাঁড়ায় বাঁশি বাজাও। দলকে গ্যালারি থেকে চাগিয়ে তুলতে এই গান বাজে। সঙ্গে হুইসেল বাজিয়ে সমর্থকরা সিএসকে'কে উজ্জীবিত করেন। যদিও রবিবাসরীয় দুপুরে গুজরাটের সামনে সেই হুইসেল বাজেনি। যদিও খেলার পর ওই হলুদ বাঁশি নিয়ে ছবি তুলে নেটপাড়ায় সমালোচিতও হতে হয়েছে শুভমানকে। কেউ লিখেছেন, 'ক্যাপ্টেন হিসাবে একেবারেই শিশুসুলভ আচরণ করেছেন গিল।' কারওর কথায়, 'সমর্থকরা দলে দ্বাদশ ব্যক্তি। তাঁদের ভাবাবেগে কখনওই আঘাত করা উচিত নয়।'
