ব্যাটে এআই দিয়ে তৈরি চিপ লাগিয়ে নামে বৈভব সূর্যবংশী! অন্তত পাকিস্তানের ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ সেরকমই মনে করছে। জশপ্রীত বুমরাহ থেকে ট্রেন্ট বোল্ট-বিশ্বত্রাস বোলারদের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকানোয় হাত পাকিয়ে ফেলেছে বৈভব। সামনে যেই থাকুক না, বল মাঠের বাইরে পাঠানো অভ্যাস বিস্ময় প্রতিভার। কীভাবে এই অসাধ্যসাধন করে ১৫ বছর বয়সি ক্রিকেটার? উত্তর খুঁজছে গোটা ক্রিকেট দুনিয়া। এর মধ্যে নতুন যুক্তি নিয়ে হাজির পাকিস্তান।
না, কোনও আজব ব্যাখ্যা নয়। বরং বৈভবের ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ হয়েই এহেন মন্তব্য করলেন পাক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ নৌমান নিয়াজ। তাঁর কাছে বৈভব যেন 'মানুষ' নয়। যেন এক যন্ত্র নিজের কাজ করে যাচ্ছে। নিয়াজ বলছে, "কী অসাধারণ একটা ছেলে! যেভাবে ডোপ পরীক্ষা করা হয়, আমার মনে হয় ওকে ল্যাবরেটরিতে পাঠানো উচিত। ওর ব্যাটের মধ্যে যেন আর্টিফিসিয়েল ইন্টিলিজেন্স চিপ বসানো আছে। ও অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করে। বৈভবকে নিয়ে আমিও আশাবাদী।"
এখানেই থামেননি তিনি। নিয়াজ আরও বলেন, "৩০০ স্ট্রাইক রেটও ওর কাছে কম। ওর বয়স মাত্র ১৬ (যদিও বৈভবের বয়স ১৫)। ওর জন্মের সময় বিরাট কোহলি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে গিয়েছিল। এখন আমি শুধু দু'জনের মধ্যে পার্থক্য দেখি। বৈভবের কবজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। যখন ওর ১৮ বছর বয়স হবে, তখন শরীরের পেশি আরও শক্তিশালী হবে।" অর্থাৎ ভবিষ্যতে বৈভবকে যে আরও বড় বড় ছক্কা হাঁকাতে দেখা যাবে বলে মনে করছে পাক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ। চলতি আইপিএলে ৮ ম্যাচে ৩৫৭ রান হয়ে গিয়েছে বৈভবের। তার মধ্যে সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করেছে। তার ১০৩ রানের ইনিংস সাজানো ছিল পাঁচটা চার এবং এক ডজন ছক্কায়। স্ট্রাইক রেট পৌনে তিনশোর বেশি।
