shono
Advertisement
IPL 2026

IPL 2026, KKR VS LSG: রিঙ্কুর দাঁত চাপা লড়াইয়ে বাজিমাত, সুপার ওভারে জিতে লাস্ট বয় তকমা ঘোচাল কেকেআর

দু'টি দলই নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৫ রান তোলে।
Published By: Kishore GhoshPosted: 11:58 PM Apr 26, 2026Updated: 12:43 AM Apr 27, 2026

কলকাতা নাইট রাইডার্স: ১৫৫/৭ (রিঙ্কু- ৮৩, গ্রিন ৩৪, মহসিন- ২৩/৫)
লখনউ সুপার জায়েন্ট: ১৫৫/ ৮ (রিশভ ৪২, আয়ুষ ২৪, বরুণ-৩৩/২, বৈভব-২৪/২)
সুপার ওভারে ম্যাচ জিতে নিল কেকেআর।

Advertisement

একা রিঙ্কু রক্ষা করে নকল বুঁদিগড়! বিগত ম্যাচে মতোই এদিনও সফল রিঙ্কু 'ধমাকা' শর্মা। ইনিংস শেষে স্কোরবোর্ডে তাঁর নামে ছিল ৫১ বলে ৮৩ রান। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বাকি ব্যাটাররা চূড়ান্ত ব্যর্থ। কিন্তু দলের বোলারদের সমবেত পারফরম্যান্সে, কিছুটা লখনউ সুপার জায়েন্টের ব্যাটিং ব্যর্থতায় এবং ভাগ্যের জোরে দুঃস্বপ্নের আইপিএলে দ্বিতীয় জয় পেল কলকাতা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ম্যাচ টাই হয়ে যায়। প্রথমে ব্যাট করে কেকেআর তুলেছিল ১৫৫, ২০ ওভার শেষে লখনউও সেই রানে পৌঁছে যায়। এর পর সুপার ওভারে ম্যাচ জিতে নিল আজিঙ্কা রাহানের দল। এর ফলে লিগ টেবিলের লাস্ট বয়ের তকমা ঘুচল।    

আইপিএলের মতো পাওয়ার হাউস টুর্নামেন্টে যখন কোনও দল প্রথমে ব্যাট করে পুরো ২০ ওভার খেলে মাত্রা ১৫৫ রান করে, তখনই বোঝা সম্ভব দলটির ব্যাটিং ব্যর্থতা। ফের একটা ‘ফ্লপ শো’ নাইট অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানের। রবিবাসরীয় সন্ধায় যতক্ষণ ছিলেন, টেস্টের ঢঙে খেলছিলেন। নিয়ম করে উইকেট পড়েছে কলকাতার। ওপেনারদের ব্যর্থতার পর মাঝের ব্যাটসম্যানরাও দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারলেন না। টিম সেইফার্ট থেকে রভম্যান পাওয়েল, কারওর ব্যাটেই রানের দেখা নেই। পাওয়েল আর গ্রিন ১১তম ওভারের পরপর দুই বলে আউট হয়ে দলকে ডোবালেন। গ্রিন তবু ৩৪ করেছেন,পাওয়েলে সংগ্রহ ৪ বলে ১।

৩১ রানে চার উইকেট খুইয়ে যখন ধুঁকছে দল, তখন পালটা আক্রমণ শুরু করেন অজি তারকা ক্যামেরন গ্রিন। কিন্তু ২১ বলে ৩৪ রানের বেশি করতে পারলেন না কেকেআরের ২৫ কোটি তারকা। মহসিনের বলে একবার জীবন ফিরে পেয়েও শিক্ষা নিলেন না তিনি। গ্রিনের পরের বলেই আউট অনুকূল রায়। ২৩ রানে ৫ উইকেট নিলেন মহসিন। এরপর আউট হলেন রমণদীপও (৬)। তবে নাইটদের জন্য একা কুম্ভ হয়ে লড়লেন রিঙ্কু সিং। গত ম্যাচেও তাঁর ব্যাটেই এবারের মরশুমে প্রথম জয় পেয়েছিল কলকাতা। সেই ফর্ম বজায় রেখে এদিন অপরাজিত থাকলেন ৫১ বলে ৮৩ রান। শেষ ওভারে দিগ্বেশ রাঠিকে চারটি ছয় মারলেন। উঠল ২৬ রান। সব মিলিয়ে মারলেন সাত চার, পাঁচ ছক্কা। চাপের মুখে তাঁর ইনিংসের সৌজন্যে সম্মানজনক ১৫৫ রানে পৌঁছায় কেকেআর।

অল্প রানের লক্ষ্যে নেমে দ্রুত প্যাভিলয়নে ফেরেন লখনউ ওপেনার মিচেল মার্শ। দ্বিতীয় ওপেনার মার্করাম ৩৭ করলেও ধীর গতিতে (২৭ বল) খেলেন। দলকে জয়ের পথে খানিক এগিয়ে দিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন রিশভ পন্থ। এদিন ৩৮ বলে ৪২ করেন তিনি। তাঁকে কিছুটা সঙ্গত রকেন আয়ুষ বাদানি (২৪)। একটা সময় মনে হচ্ছিল সহজেই ম্যাচ জিতে নিতে চলেছে লখনউ। কিন্তু বরুণ চক্রবর্তী, বৈভব অরোরা-সহ কেকেআরের বোলিং ইউনিট কঠিন লড়াই চালায়। ফলে শেষের দিকে দ্রুত ইউকেট হারিয়ে ২০ ওভারে ১৫৫ পৌঁছায় পন্থের দল। এবং শেষ পর্যন্ত সুপার ওভারে ম্যাচ জিতে নেয় কেকেআর। উল্লেখ্য, এদিন অঙ্গকৃষের আজব আউট থেকে সুপার ওভার, নাটকের কোনও অভাব ছিল না। ‘অবস্ট্রাটিং দ্য ফিল্ড’ অর্থাৎ ফিল্ডিংয়ে বাধা দেওয়ার ‘অপরাধে’ আউট তিনি। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement