টি-২০ বিশ্বকাপ শেষ হতেই আইপিএলের (IPL 2026) ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। গত বছরের ব্যর্থতা ভুলে আবারও ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপাবে কেকেআর। কিন্তু কিংবদন্তি স্পিনার অনিল কুম্বলে মনে করছেন, নাইটরা দু'টো বড়সড় ভুল করে ফেলেছে। তার ফলেই কেকেআরের ধারাবাহিকতা ধাক্কা খেয়েছে। ধারাবাহিকতার অভাব এবং ম্যানেজমেন্টের ভুল-এই জোড়া ফলায় আসন্ন আইপিএলে যথেষ্ট ভুগবে কেকেআর, এমনটাই মনে করছেন কুম্বলে।
২০২৪ সালে তৃতীয়বার আইপিএল জেতে কেকেআর। কিন্তু ট্রফি জেতানো অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারকে মেগা নিলামের আগে রিটেন করেনি নাইট শিবির। কানাঘুষো শোনা গিয়েছিল, বেশি অর্থে রিটেনড হতে চেয়েছিলেন শ্রেয়স। কিন্তু ট্রফি জেতানো অধিনায়ককে ধরে রাখতে আগ্রহ দেখায়নি নাইট ম্যানেজমেন্ট। শ্রেয়সকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গতবছর আইপিএলে ক্যাপ্টেন হিসাবে পাঞ্জাব কিংসকে ফাইনালে তোলেন। কেকেআর নিয়ে একাধিকবার অভিমানও প্রকাশ করেছেন শ্রেয়স।
কুম্বলের মতে, আসন্ন আইপিএলেও কেকেআরকে ফেভারিট ধরার কোনও কারণ নেই। তিনি বলছেন, "কেকেআর তো নিজেরাই অ্যাডভান্টেজ বিসর্জন দিয়েছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের কীভাবে ধরে রাখতে হবে, সেটা কেকেআরের শেখা উচিত।"
এই বিষয়টিই তুলে ধরেছেন কুম্বলে। নাইটদের ট্রফি অভিযান নিয়ে বলতে গিয়ে তাঁর মত, "দু'বছর আগে কেকেআর আইপিএল জিতেছিল। সেবার দলের অন্যতম চালিকাশক্তি ছিল দু'জন-শ্রেয়স আইয়ার এবং ফিল সল্ট। কেকেআরকে চ্যাম্পিয়ন করতে ওদের দু'জনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। কিন্তু কেকেআর ওদের ছেড়ে দিল। রিটেনশনেও কোনও ধারাবাহিকতা ছিল না। আইপিএল জেতানো ক্যাপ্টেনও ওদের শিবিরে রইল না। মানছি অজিঙ্ক রাহানে অনেক অভিজ্ঞ। কিন্তু আইপিএল জেতানোর অভিজ্ঞতা ওর নেই।"
কুম্বলের মতে, আসন্ন আইপিএলেও কেকেআরকে ফেভারিট ধরার কোনও কারণ নেই। তিনি বলছেন, "কেকেআর তো নিজেরাই অ্যাডভান্টেজ বিসর্জন দিয়েছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের কীভাবে ধরে রাখতে হবে, সেটা কেকেআরের শেখা উচিত। যদি শিখতে না পারে তাহলে ওদের অবস্থা খারাপ হবে। ট্রফি জয়ের দাবিদার হিসাবে ওদের আর ধরা যাবে না।" উল্লেখ্য, গতবছর আইপিএলে কেকেআরের পারফরম্যান্স অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল। ১৪টি ম্যাচের মধ্যে মাত্র ৫টিতে জিতেছিল তারা। আসন্ন আইপিএলে কি সেই ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলতে পারবে নাইট শিবির?
