মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: ১৯৯/৫ (তিলক ১০১, নমন ৪৫, রাবাডা ৩৩/৩)
গুজরাট টাইট্যান্স: ১০০/১০ (ওয়াশংটন ২৬, অশ্বিনী ২৪/৪, স্যান্টনার ১৬/২)
৯৯ রানে জয়ী মুম্বই।
টানা হারের খরা কাটল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। চার ম্যাচ পর জয়ের নায়ক যেমন সেঞ্চুরি করা তিলক বর্মা, তেমনই অজানা কারণে 'ব্রাত্য বোলার' অশ্বিনী কুমারও। অভিষেক চার উইকেট পাওয়ার পরেও নিয়মিত সুযোগ পান না তিনি। সেই ছেলেই এদিন ৪ উইকটে নিয়ে জয়ের অন্যতম কাণ্ডারী। প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৯৯ রান তুলেছিল মুম্বই। অন্যদিকে চূড়ান্ত ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১০০ রানেই গুটিয়ে গেল গুজরাট। ৯৯ রানে জরুরি জয় পেল হার্দিক পাণ্ডিয়ার দল।
এদিন প্রথম ইনিংসে মুম্বইয়ের দুই অপেনার ডিকক ও দানিশ মালেওয়ার ব্যর্থ হওয়ায় ফের হারের ভয় দানা বাঁধছিল সমর্থকদের মনে। কিন্তু বহুদিন পর নিজেকে ফিরে পেলেন তিলক বর্মা। একেবারে সেঞ্চুরিতে গিয়ে থামলেন। শুরুতে অবশ্য ব্যাটে-বলে হচ্ছিল না। মাঝে ‘স্ট্র্যাটেজিক টাইমআউট’-এর সময় হার্দিক-বাণীতেই কি কেল্লা ফতে! অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংস সাজানো আটটি চার এবং সাতটি ছয়ে। আগের পাঁচ ইনিংসে মাত্র ৪৩ রান করেছিলেন সেই তিনি। তিলককে সঙ্গ দিলেন নমন ধীর (৪৫)। জরুরি ইনিংস খেললেন তিনি। তাতেই ১৯৯ রানে গিয়ে থামল মুম্বই।
গুজরাট ব্যাট করতে নেমেই সাই সুদর্শনের উইকেট হারায়। সবচেয়ে বড় কথা, ৬ ম্যাচ পরে উইকেট পেলেন 'জাতীয় সম্পদ' জশপ্রিত বুমরাহ। মাঝে বৈভব সূর্যবংশীর মতো পনেরো বছরের বালকের কাছেও মার খেতে হয়েছিল সমসাময়িক ক্রিকেটের বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বোলারকে। এদিন ৩ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নিলেন তিনি। যাক বলে বুমরাহচিত। শেষ ওভারটা যে আর করতে হয়নি, তার নেপথ্যে এদিনের নায়ক অশ্বিনী কুমার। দলে সুযোগ পেতেই নিজের জাত চেনালেন এই বোলার। ২৪ রানে ৪ উইকেট নিলেন তিনি। উইকেট পেয়েছেন হার্দিক, ঘাজানফার, স্যান্টনারও।
ফলে একা তিলক যে রান করেছেন (১০১) সেই রানটুকুও তুলতে পারল না গুজরাট। ১০০ রানে শেষ হল তাদের ইনিংস। ওয়াশিংটন সুন্দরের স্কোর সবেচেয়ে বেশি--- ২৬। এভাবে তো ম্যাচ জেতা যায় না। ফলে হাসি মুখে ৯৯ রানে জয়ে পেয়ে মাঠ ছাড়ল মুম্বই।
