ঋষভ পন্থ, নিকোলাস পুরান, মিচেল মার্শ-একের পর এক বিস্ফোরক ব্যাটারে বোঝাই স্কোয়াড। সঙ্গে আইপিএলের নতুন 'ঝড়' মুকুল চৌধুরীও। কিন্তু এমন ভয় ধরানো ব্যাটিং লাইন আপ নিয়েও দেড়শো পেরতে পারল না লখনউ সুপার জায়ান্টস। বুধবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ১৪৬ রানে পন্থদের অলআউট করে দিল আরসিবি। আগুনে বোলিং করলেন ভুবনেশ্বর কুমার-রশিখ সালাম দাররা। পেস ব্যাটারির সামনে নতজানু হল বিস্ফোরক ব্যাটিং লাইন আপ।
সপ্তাহখানেক আগে ইডেনে কেকেআরের হাতে থাকা ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন মুকুল। ২৭ বলে ৫৪ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকে। সেদিন রুদ্ধশ্বাস জয়ের আড়ালে চাপা পড়ে গিয়েছিল পন্থদের ব্যাটিং ব্যর্থতার ছবিটা। কিন্তু কেকেআর ম্যাচের পর থেকে মুকুল একা আর দলের ত্রাতা হয়ে উঠতে পারছেন না। রবিবার গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে আট উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান তুলেছিল লখনউ। বুধবার দেড়শোর গণ্ডিও পেরতে পারল না তারা। ২৮ বলে ৩৯ রান করলেন মুকুল।
অধিনায়ক ঋষভ পন্থও ২৭ কোটি দামের প্রতি সুবিচার করতে পারছেন না। একটা ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি ছাড়া চলতি আইপিএলে কিছুই করে উঠতে পারেননি। বুধবার ব্যাট করতে নেমে চার বল খেলেই মাঠ ছেড়ে চলে যান। কনুইয়ে জশ হ্যাজেলউডের ডেলিভারি আছড়ে পড়ে। যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকেন। ১৬তম ওভারে ফের ব্যাট করতে নামেন পন্থ। কিন্তু সবমিলিয়ে ৬ বল খেলে লখনউ অধিনায়কের সংগ্রহ মাত্র ১ রান। দলের সর্বোচ্চ স্কোর মার্শের ৩২ বলে ৪০ রান। এছাড়া ২৪ বলে ৩৮ রান করেন আয়ুষ বাদোনি।
ব্যাটারদের স্বর্গ বলে পরিচিত চিন্নাস্বামীতে বুধবার দাপট দেখালেন পেসাররা। চার ওভারে ২৭ রান দিয়ে তিনটে উইকেট পেয়েছেন ভুবনেশ্বর। মাত্র ২৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন রশিখ। অজি পেসার হ্যাজেলউডও অত্যন্ত কৃপণ বোলিং করে একটা উইকেট তুলে নিয়েছেন। স্পিনাররা সেভাবে এদিন সফল হননি, তবে জোড়া উইকেট পেয়েছেন ক্রুণাল পাণ্ডিয়া। ২০ ওভারের শেষে ১৪৬ রানে অলআউট হয়ে যায় লখনউ।
