আইসিসি (ICC) পক্ষপাতদুষ্ট! ভারতের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নাকি ক্রিকেটকে বন্দি বানিয়ে ফেলেছে। তাই কী করণীয়? আইসিসি'র বদলে এক নতুন সংস্থা চাই। এরকমই দাবি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফের। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটেই পাকিস্তানের নাটক শেষ হচ্ছে না। এখন তারা চায় ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থাকেই তুলে দিতে। যা বুঝিয়ে দিচ্ছে কীভাবে ক্রিকেটের মধ্যে রাজনীতি ঢুকিয়ে দিতে চাইছে পাক সরকার।
সোশাল মিডিয়ায় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিখেছেন, 'ভদ্রলোকের খেলার স্পিরিটকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য একটা নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রয়োজন। দক্ষিণ এশিয়ায় আইসিসি তো ভারতের রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য বন্দি হয়ে গিয়েছে।' খোদ পাকিস্তানের মন্ত্রী এই কথা বলছেন। যা সরাসরি আইসিসি'র নীতি ও কর্মপদ্ধতির উপর আক্রমণ। আর নতুন সংস্থা তৈরির পরিকল্পনা যে আইসিসি'কে হুমকি দেওয়া, সেরকমই মনে করছেন অনেকে।
আসলে পাকিস্তানের এই ক্ষোভের কারণ পুরোপুরি রাজনৈতিক। আইসিসি'র প্রধান জয় শাহ। ক্রিকেটবিশ্বে ভারতের সাফল্য প্রশ্নাতীত। সেখানে পাকিস্তান নিজেদের ব্যর্থতার জন্যই ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। তাই নিজেদের সাফাই হিসেবে ভারতকে আক্রমণের রাস্তা বেছে নিয়েছে তারা। এশিয়া কাপের সময়ও 'নাটক' করেছে। আর বিশ্বকাপে তো বল গড়ানোর আগেই ম্যাচ বয়কট করেছে পাকিস্তান। আবার এটাও ঠিক, বয়কটের সমর্থনে বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট বোর্ডের কাছে গিয়ে তারা ধাক্কা খেয়েছে।
বিশ্বকাপ অন্য ম্যাচ খেললেও ভারতের বিরুদ্ধে খেলতেই যত আপত্তি পাকিস্তানের। এই নিয়ে পাক সরকার বিবৃতি দিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদেই এই সিদ্ধান্ত। ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কার মাটিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পাক বাহিনী ম্যাচ বয়কট করেছে। এবার আইসিসি'র শাস্তির খাঁড়া নেমে আসতে পারে পাক বোর্ডের উপর।
