ভারতের বিরুদ্ধে না খেললেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাকিস্তানের! টি-২০ বিশ্বকাপ যত এগিয়ে আসছে, ভারত-পাক ম্যাচ নিয়ে নাটকীয়তা ততই বাড়ছে। এবার ক্রিকেটমহলের অনেকেই মনে করছেন, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে না খেলে নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারবে। অতীত পারফরম্যান্স, প্রকৃতির খামখেয়াল-এসব মাথায় রেখেই ক্রিকেটপ্রেমীরা মনে করছেন ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় থাকলে পাকিস্তানেরই ক্ষতি।
কেন একথা ভাবছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা? প্রথমেই উঠে আসছে আবহাওয়া পরিস্থিতি। এবারের বিশ্বকাপে পাকিস্তান প্রত্যেকটা ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কায়। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই তারা নেমে পড়বে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে। কিন্তু আগামী শনিবার সেই ম্যাচের আগে কলম্বোর আকাশ মুখ ভার করে থাকবে বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। পূর্বাভাস বলছে, ওইদিন ২৬ শতাংশ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ ম্যাচ ভেস্তে যেতে পারে। যদি খেলা হয়, তাহলেও ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মের গেরোয় ম্যাচ হারতে পারে পাকিস্তান। অর্থাৎ নেদারল্যান্ডস ম্যাচ থেকে পাকিস্তানের পয়েন্ট খোয়ানোর সম্ভাবনা প্রবল।
ক্রিকেটপ্রেমীরা আরও মনে করিয়ে দিচ্ছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অপেক্ষাকৃত 'দুর্বল' দল হলেও তাদের হারানোটা পাকিস্তানের পক্ষে কঠিন হতে পারে। কারণ ২০২৪ টি-২০ বিশ্বকাপে আমেরিকার কাছে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল পাকিস্তান। এবার বিশ্বকাপে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ম্যাচ রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। সেখানে যদি পাকিস্তান হেরে যায় এবং ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করে, তাহলে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে জিতেও বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যেতে হবে পাক ব্রিগেডকে। তখন নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জিতেও কোনও লাভ হবে না।
উল্লেখ্য, ১৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। পর্যাপ্ত কারণ ছাড়াই বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করেছে পাকিস্তান। এমনকী সরাসরি আইসিসি’র সঙ্গে যোগাযোগও করেনি পাক বোর্ড। সরকারের সোশাল মিডিয়া বার্তাকেই তারা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বলে ধরে নিয়েছে। মহসিন নকভির পাক বোর্ড ঠিক করেছে তারা আইসিসি’কে কিছু জানাবেও না। বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও সরকারি ইমেল পাঠাবে না তারা। সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের কবর নিজেই খুঁড়ছে না তো পাকিস্তান?
