হার্দিক পাণ্ডিয়া কো ইতনা গুসসা কিউ আতে হ্যায়! পাকিস্তানের তখন ৯ উইকেট পড়ে গিয়েছে। আরও একটা বিশ্বকাপের যুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জয় তখন প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু রেগে গেলেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। তিনি রীতিমতো বকাঝকা করে বসলেন ঈশান কিষান এবং কুলদীপ যাদবকে।
ঠিক কী হয়েছিল? রোববারের কলম্বো মহাযুদ্ধের সবচেয়ে গভীরতম, সবচেয়ে অর্থবহ মুহূর্তটা সৃষ্টি হয়েছিল পাকিস্তান ইনিংসের আঠারোতম ওভারে। খেলার বিধান ততক্ষণে জারি হয়ে গিয়েছে। পাকিস্তান হারছে। ৯ উইকেট চলে গিয়েছে। শাহিন শাহ আফ্রিদি হিতাহিতশূন্য হয়ে ব্যাট ঘোরানোর অক্ষম প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। ঠিক সে সময়, প্রবল বকাঝকা শুরু করে দিলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া! নিশানা দু'জন- ঈশান কিষান এবং কুলদীপ যাদব। প্রথম জন আবার কলম্বো-মহানায়ক! কী ব্যাপার! পরপর দু'বলে দু'খানা ক্যাচ ছেড়েছেন তাঁরা। ওভারের শেষ বলে উসমান তারিকের স্টাম্প উড়িয়েও ভারতীয় অলরাউন্ডারের রাগ পড়ল না! সামনে আবার পড়লেন কুলদীপ। আবার ঝাড় খেলেন।
পাকিস্তানের ইনিংসের ১৮তম ওভারের দু'টি ঘটনা। প্রথম বলই শাহিন আফ্রিদির গ্লাভস স্পর্শ করে। কিন্তু বল ধরতে পারেনি ঈশান। এর ঠিক পরের বলেই বড় শট মারতে গিয়ে টাইমিং মিস করেন আফ্রিদি। বল সোজা চলে যায় লং অনে দাঁড়ানো কুলদীপের কাছে। লোপ্পা একটা ক্যাচ তালুবন্দি করতে পারেননি ভারতীয় স্পিনার। তার উপর 'চায়নাম্যান স্পিনার'-এর হাতে লেগে বল চলে যায় সীমানার বাইরে। যেখানে উইকেট আসার কথা ছিল, সেখানে পাকিস্তান স্কোর বোর্ডে যুক্ত করে ছ'রান। এর পর আর রাগ ধরে রাখতে পারেননি হার্দিক।
সেই ওভারের শেষ বলে অবশ্য উসমান তারিককে বোল্ড করেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। ৬১ রানে ভারত জিতলেও রাগ কমেনি হার্দিকের। ভারতীয় ক্রিকেটাররা যখন নিজেদের মধ্যে হাত মেলাচ্ছেন, তখন হার্দিককে দেখা গেল কুলদীপের হাত ধরে তুমুল বকুনি দিতে। বাধ্য ছেলের মতো মন দিয়ে শুনছিলেন কুলদীপ। পরে অবশ্য রিঙ্কু সিং গিয়ে হার্দিককে সরিয়ে আনেন। তবে কেবল হার্দিক নন, ক্যাচ ফসকানোয় খুশি ছিলেন না ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও।
