হোটেলের ঘরে মহিলা কর্মীর সঙ্গে অশ্লীল আচরণ! বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল পাকিস্তানি ক্রিকেটারের (Pakistan Cricketer) বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, শ্রীলঙ্কায় থাকাকালীন এই চাঞ্চল্যকর কাণ্ডটি ঘটিয়েছেন পাক ক্রিকেটার। তবে ওই ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ্যে আসেনি। জানা গিয়েছে, ক্রিকেটারের হয়ে ক্ষমা চেয়েছেন বিশ্বকাপে পাক দলের ম্যানেজার নাভিদ চিমা। তারপর জরিমানা (Fined) দিতে হয়েছে পাক ক্রিকেটারকে। উল্লেখ্য, গতবছরই ইংল্যান্ডে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন পাক ক্রিকেটার হায়দার আলি। আবারও বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল পাক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে।
ঠিক কী অভিযোগ পাক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে? সুপার এইটের ম্যাচ খেলতে ক্যান্ডিতে গিয়েছিল পাক দল। সেখানকার গোল্ডেন ক্রাউন হোটেলে ছিলেন সলমন আলি আঘারা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ম্যাচ ছিল। সেদিন সকালেই হোটেল কর্মীর বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে পাক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, হাউসকিপিংয়ের কর্মী ওই মহিলার সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন পাক ক্রিকেটার। সাহায্য চেয়ে চিৎকার করেন ওই মহিলা। হোটেলে থাকা অন্যান্যরা গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন।
গোটা বিষয়টি জানানো হয় পাক দলের ম্যানেজারকে। হোটেল কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় অত্যন্ত কড়া পদক্ষেপ করতে চেয়েছিল। রীতিমতো হাতে-পায়ে ধরে কর্তৃপক্ষকে শান্ত করেন চিমা। ওই ক্রিকেটারের হয়ে তিনি নিজে ক্ষমা চেয়ে নেন হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে। তারপর জরিমানা করেন সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারকে। পাক ব্রিগেড দেশে ফেরার পরও এই নিয়ে জলঘোলা চলছে। শোনা যাচ্ছে, অভিযুক্ত ক্রিকেটারকে তলব করবে পাক বোর্ডের ডিসিপ্লিনারি কমিটি। আগামী দিনে আরও বড়সড় শাস্তি পেতে পারেন ওই ক্রিকেটার।
উল্লেখ্য, বিদেশ সফরে গিয়ে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের অভব্য আচরণের ভুরি ভুরি উদাহরণ রয়েছে। গত বছরই পাকিস্তানের ‘এ’ স্কোয়াডের হয়ে খেলতে ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন ২৪ বছর বয়সি হায়দার। সেই সময়ে এক পাক বংশোদ্ভূত তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে পাক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে। কেন্টের স্পিটফায়ার কাউন্টি গ্রাউন্ড মাঠে ম্যাচ চলাকালীনই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে অবশ্য বেকসুর খালাস হয়ে যান তিনি।
