টানা দু’বার কোনও দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup Final) জিতল। যা আগে কোনও দল জেতেনি। সাম্প্রতিক সময়ে সাদা বলের ক্রিকেটে টিম ইন্ডিয়া যাতে হাত দিচ্ছে, তাতেই সোনা। এতে লক্ষ্মীলাভ সম্প্রচারকারী সংস্থার। ভিউয়ারশিপের দিক থেকে অতীতের নজির ভেঙে দিয়েছে জিওহটস্টার। সূর্যকুমার যাদবদের বিশ্বজয় দেখলেন প্রায় ১০০ কোটি দর্শক!
নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে ভারতের ঐতিহাসিক জয়ের রাতে জিওহটস্টারে গড়ে উঠল নতুন রেকর্ড। ফাইনাল চলাকালীন দর্শকসংখ্যা পৌঁছয় ৭৪.৫ কোটিতে। ম্যাচের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান চলার সেই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়ায় ৮২.১ কোটিতে। যা ভারতের অনলাইন ক্রিকেট সম্প্রচারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
দেশজুড়ে ছিল বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তাপ। ব্যতিক্রম হয় কলকাতাও। শহরের বিভিন্ন জায়গায় জায়ান্ট স্ক্রিনে ম্যাচ দেখার ব্য়বস্থা করা হয়। ডিজিটাল প্ল্যার্টফর্মেও খেলা দেখেন বহু। বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে মাঠে ঢোকেন ধোনি-রোহিত। দুই প্রিয় তারকাকে দেখে উচ্ছ্বসিত দর্শকরা। আলোর ঝলক, লাউড মিউজিক আর রিকি মার্টিনের গানে জমে ওঠে সমাপ্তি অনুষ্ঠান। নজরকাড়া পারফরম্যান্স সুখবিন্দর সিং ও ফাল্গুনী পাঠকের। এই সময় ২.১ কোটি ক্রিকেটপ্রেমী স্ক্রিনে নজর রেখেছিলেন। টসের সময় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪.২ কোটিতে। ভারতের ইনিংসের প্রথম বলের আগেই সংখ্যাটা ছুঁয়ে ফেলে ৬.৫ কোটি।
অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, যত সময় এগিয়েছে, দর্শক তত বেড়েছে। ভারতের ইনিংস শেষ হওয়ার সময় দর্শকসংখ্যা ছিল ৪৩.৯ কোটি। ইনিংস বিরতিতে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৪.৩ কোটি। কিউয়িরা যখন ২৫৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামে, তখন দর্শক ছিল ৪৯.৯ কোটি। প্রথম ওভার শেষ হতেই তা ছাড়িয়ে যায় ৫০ কোটির গণ্ডি। নিউজিল্যান্ডের শেষ উইকেট পড়ার মুহূর্তে দর্শকসংখ্যা পৌঁছে যায় ৭৪.৫ কোটিতে। পরে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান চলাকালীন তা আরও বেড়ে ৮২.১ কোটিতে গিয়ে দাঁড়ায়।
এই রেকর্ড অতীতের সব পরিসংখ্যানকে ছাপিয়ে গেছে। ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখেছিলেন ৫.৩ কোটি। আবার ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে সর্বোচ্চ ছিল ৫.৯ কোটি।
