পরের বছর দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। সেই মেগা টুর্নামেন্টের ব্লু প্রিন্ট ছকে ফেলা হবে আইপিএলের সময়ই। জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপের জন্য ২০ জন ক্রিকেটারকে বেছে নিয়েছে বিসিসিআই। সেই তালিকায় কি হার্দিক পাণ্ডিয়া আছেন? সেই উত্তর এখনও পাওয়া না গেলেও কানাঘুষো, বিশ্বকাপে খেলতে গেলে বিসিসিআইয়ের শর্ত মানতে হবে টিম ইন্ডিয়ার অলরাউন্ডার হার্দিক পাণ্ডিয়াকে। নাহলে বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়তে পারেন তিনি।
বিসিসিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ১০ ওভার বল করার মতো ফিটনেস রাখতে হবে হার্দিককে। তার জন্য আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে হার্দিককে। জানা গিয়েছে, গত চার মাস ধরে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকদের আশ্বস্ত করতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন হার্দিক। তাঁর লক্ষ্য, যাতে তিনি ওয়ানডেতে পুরো ১০ ওভার বল করতে পারেন। যদিও ২০১৯ সালে লোয়ার ব্যাক সার্জারির পর তাঁর ওয়ার্কলোড নিয়ে চাপ রয়েছে।
গত জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণার সময় বিসিসিআই জানিয়েছিল, হার্দিক তখনও ১০ ওভার বল করার জন্য সম্পূর্ণ ফিট নন। অথচ তার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই বিজয় হাজারে ট্রফিতে চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে ১০ ওভার বল করে ৬৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, বোলার হিসাবে ১০ ওভার বল করতে তৈরি তিনি।
বোর্ডের একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, “হার্দিক ওয়ানডে দলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার পেস সহায়ক এবং বাউন্সি উইকেটে। তবে ওকে প্রমাণ করতে হবে, ও প্রয়োজনে ১০ ওভার বল করতে প্রস্তুত। সব ম্যাচে হয়তো ১০ ওভার করতে হবে না, কিন্তু দলের প্রয়োজনে সেই ফিটনেস থাকা জরুরি। তবে নির্বাচকরা বিকল্প হিসাবে নীতীশ কুমার রেড্ডির উপরেও নজর রাখছেন।”
৮৮টি ওয়ানডেতে মাত্র ১৮ বার পুরো ১০ ওভার বল করেছেন হার্দিক। যা লোয়ার ব্যাক সার্জারির আগে। উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ ফাইনালের আগে চোটের কবলে পড়েছিলেন হার্দিক। ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরেন তিনি। সেই হার্দিক ফিটনেস সমস্যার কারণে আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দল থেকে বাদ পড়েছেন। সব মিলিয়ে নিজেকে ফিট রাখাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ভারতীয় অলরাউন্ডারের সামনে।
