সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিনেমার পর্দায় তাঁরা কেউ নিপাট ভালমানুষ। কেউ বা খলনায়ক। তবে বাস্তব জীবনে তাঁরা ঠিক কেমন, তা পরদার নেপথ্যেই থেকে যায়। আর বাইরে যতই আলোকজ্জ্বল দুনিয়ায় থাকুন না কেন, সে পর্দার ওপারে কিন্তু বেশ খানিকটা অন্ধকারই জমাট বেঁধে থাকে। অন্তত সাম্প্রতিক এক ব্লগ তাই-ই জানান দিচ্ছে। জানা যাচ্ছে, বাড়ির কাজের লোকের সঙ্গে বেশ দুর্ব্যবহারই করে থাকেন বলি সেলেবরা।
[ অসাড় অঙ্গে সাড় ফেরাতে রোগিণীর সঙ্গে সঙ্গম ডাক্তারের ]
সম্প্রতি অনুপম সিংহল নামে এক ব্যক্তি এই কথা জানিয়েছেন তাঁর ব্লগে। তিনি নিজে একটি সংস্থা চালান। যেখান থেকে কাজের লোকেরা যায় সেলেবদের বাড়িতে কাজ করতে। কিন্তু বেশ কয়েকটি মারাত্মক অভিযোগ তাঁর কাছে জমা পড়েছে। যা থেকে সেলেব অন্দরের চিত্রটি বেশ স্পষ্ট। কী করেন সেলেবরা? বেশিরভাগ সময়েই সঠিক সময়ে খেতে দেন না। বা পার্টির পর উদ্বৃত্ত খাবারই শুধু কাজের লোকেদের দেন। সঠিক বেতনও দিতে চান না অনেক সেলেব। আর মুখে গালাগালি বা কটূ কথা তো লেগেই আছে।
এ বিষয় নিয়েই সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যম যোগাযোগ করে অন্যান্য এজেন্সিগুলোর সঙ্গে। সেগুলির কঋতৃপক্ষদের কথাতেও ক্ষোভ স্পষ্ট। কিন্তু কেউই প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ। কেউ অভিযোগ তুলছেন যে, নানারকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয় সেলেববাড়ির কাজের লোকেদের। অনেক রাত করে ফেরেন সেলেবরা। তারপর ওই কাজের লোককে জাগিয়ে তোলার সময় কখনও সখনও চরম পর্যায়ে পৌঁছান সেলেবরা। লাথি মারতেও দ্বিধা করেন না। সে সময় রান্না করা খাবার পছন্দ না হলে মুখের উপর থালা ছুড়ে মারার ঘটনাও ঘটেছে।
কিন্তু এরকম একের পর এক ঘটনায় অভিযোগ জানানো হয় না কেন? আক্ষেপ করে এক সংস্থার মালিক বলছেন, জানিয়ে কী লাভ! এর আগে এক সেলেব তাঁর বাড়ির কাজের লোকের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এনেছিলেন। সংস্থা পুলিশের দ্বারস্থ হয়। কিন্তু এরপরই মন্ত্রীদের প্রভাব কাটিয়ে সব মিটিয়ে দেওয়া হয়। কোথাও কোনও সুরাহা হয়নি। ফলে এই পথ ধরে যে কোনও ফল মিলবে না তাও বুঝে গিয়েছেন সংস্থার মালিকরা। তাহলে উপায়? সেলেবদের সঙ্গে এঁটে ওঠা যাবে না বুঝে নিয়েই বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েছে সংস্থাগুলি। সেলেবদের বাড়িতে কাজের লোক দেওয়া বন্ধই করেই দিয়েছে তারা। তবে অনেকেই বলছেন, সকলে মিলে একজোট হলে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
The post জানেন, বাড়ির কাজের লোকের সঙ্গে কী করে থাকেন বলি সেলেবরা? appeared first on Sangbad Pratidin.
