shono
Advertisement
Burdwan

বাড়তি সবজি পচনের ভয় নেই, কৃষকদের সহায়তায় রাজ্যে তৈরি হচ্ছে 'ডিহাইড্রেশন সেন্টার'

সূ্ত্রের খবর, আপাতত পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে বর্ধমান জেলায় এই সেন্টার গড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মার্চ থেকে তা চালু হওয়ার সম্ভাবনা।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 02:07 PM Feb 23, 2026Updated: 02:07 PM Feb 23, 2026

কৃষকদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সবজি চাষিদের উদ্বৃত্ত ফসল প্রক্রিয়াকরণ করে বিপণনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রোজেক্ট হিসেবে সবজির 'ডিহাইড্রেশন সেন্টার' গড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাজ্যে এই প্রথম সরকারি উদ্যোগে সবজির ডিহাইড্রেশন করে বিপণনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনেক সময় অধিক উৎপাদনে সবজির দাম পান না চাষি। আবার উদ্বৃত্ত সবজি বিপণনের অভাবে নষ্ট হয়। প্রাকৃতিক কারণে বিপণনে সমস্যা হয়। এবার তার সমাধানে কাঁচা সবজি 'ডিহাইড্রেট' করে প্যাকেটজাত করে বিপণন করবে রাজ্য সরকার। বাঁধাকপি, টমেটো, পিয়াঁজের মতো সবজি বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে ডিহাইড্রেট বা শুকনো হবে। তারপর তা প্যাকেটজাত করে সুফল বাংলা স্টলের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় এমনই দু'টি সবজির ডিহাইড্রেশন সেন্টার গড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতি এই কেন্দ্র গড়ছে।

Advertisement

পূর্ব বর্ধমান জেলায় প্রতি বছর গড়ে ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে সবজি উৎপাদন হয় থাকে। অনেক সময়েই সবজির ফলন বেশি হওয়ার কারণে চাষিরা দাম পান না। সবজি সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় কারণে চাষিরা বিক্রি করতে বাধ্য হন। এর আগে, জেলায় পিঁয়াজ সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। জেলায় মোট ৪১ টি পিঁয়াজ সংরক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। তবে অন্যান্য সবজি সংরক্ষণের কোনও ব্যবস্থা এতদিন ছিল না। এবার তা গড়তে চলেছে প্রশাসন। জেলার উদ্বৃত্ত সবজি এই কেন্দ্রে বিজ্ঞানসম্মতভাবে শুকনো সবজিতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। শুকনো সবজি প্যাকেটজাত করে বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে।

অনেক সময়েই সবজির ফলন বেশি হওয়ার কারণে চাষিরা দাম পান না। সবজি সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় কারণে চাষিরা বিক্রি করতে বাধ্য হন।সবজি সংরক্ষণের কোনও ব্যবস্থা এতদিন ছিল না। এবার তা গড়তে চলেছে প্রশাসন। জেলার উদ্বৃত্ত সবজি এই কেন্দ্রে বিজ্ঞানসম্মতভাবে শুকনো সবজিতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। শুকনো সবজি প্যাকেটজাত করে বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে।

এক্ষেত্রে, বিভিন্ন শীতকালীন সবজি যেমন, বাঁধাকপি, টমেটো, পিয়াঁজ এই প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। এই ধরনের শুকনো সবজি বিদেশের বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফলে, পরবর্তীকালে এই প্রকল্প সফল হলে জেলার চাষিদের উৎপাদিত সবজি বিদেশের বাজারে রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চাষিদের কাছে উদ্বৃত্ত সবজি বিশেষ পদ্ধতিতে 'ডিহাইড্রেশন সেন্টার' বা সংরক্ষণ কেন্দ্রে শুকনো সবজিতে রূপান্তর করা হবে। এর ফলে, সবজির পুষ্টিগুণ বজায় রেখেই দীর্ঘদিন সবজি সংরক্ষণ করা হবে। শুকনো সবজি বা ওই সবজির ডাস্ট তৈরি করে পরবর্তীকালে ব্যবহার করা যাবে।

পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এই ধরনের দুটি সংরক্ষণ কেন্দ্র বা ডিহাইড্রেশন সেন্টার চালু করা হবে। এর মধ্যে একটি কালনা ও অন্যটি বর্ধমান-১ ব্লক এলাকায় তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প দুটির মোট খরচ ৮ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মার্চ মাসের মধ্যেই এই কেন্দ্র দুটি চালু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এই ধরনের দুটি সংরক্ষণ কেন্দ্র বা ডিহাইড্রেশন সেন্টার চালু করা হবে। এর মধ্যে একটি কালনা ও অন্যটি বর্ধমান-১ ব্লক এলাকায় তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প দুটির মোট খরচ ৮ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মার্চ মাসের মধ্যেই এই কেন্দ্র দুটি চালু করা হবে বলে জানা গিয়েছে। জেলায় সুফল বাংলা কেন্দ্রগুলিতে প্রক্রিয়াজাত সবজি বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। জেলাশাসক আয়েশা রানি এ জানান, এগ্রি মার্কেটিং ব্যবস্থার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত সামগ্রী বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। এর ফলে জেলার সবজি চাষিরা উপকৃত হবেন। উপকৃত হবেন অন্য জেলার চাষিরাও।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement