রাতে ঘুমোতে গেলেন। দেখলেন মুখচোখ একেবারে ঠিকঠাক। ভোরে ঘুম থেকে উঠলেন। আর তারপরই গালভর্তি ব্রণ! মনখারাপ হওয়াই স্বাভাবিক। অনেকেই ভাবেন শুধুমাত্র জল কম খাওয়া কিংবা বেশি তেল মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে ব্রণ হচ্ছে। কিন্তু জানেন কি, ঘুমনোর আগে কিংবা ঘুমনোর সময় বিছানায় করা কিছু ভুলেও বাড়তে পারে ব্রণর সমস্যা। অবাক না হলে জেনে নিন কোন কোন অভ্যাসে অবিলম্বে বদল আনা প্রয়োজন।
বেশি খসখসে কিংবা নোংরা তোয়ালে দিয়ে মুখ ঘষবেন না। তা থেকে ব্রণর সমস্যা হতে পারে। অপরিষ্কার তোয়ালে ভুলেও ব্যবহার করবেন না। প্রতিদিন নিজের ব্যবহার করা গামছা কিংবা তোয়ালে ধুয়ে নিন। নইলে ব্রণর সমস্যা হতে পারে।
কোথাও বেড়াতে গেলে মেকআপ করতে ভালবাসেন বেশিরভাগ তরুণীই। বেড়ানো হল। সুন্দর সাজগোজের জন্য প্রশংসাও পেলেন। সব কিছুর পর বাড়ি ফিরলেই ঘিরে ধরে ক্লান্তি। আর তখন মেক আপ তোলার কথা ভাবলেই যেন গায়ে জ্বর আসে অনেকের। এমন অভ্যাস কি আপনারও রয়েছে? তবে আজই সাবধান হোন। মেক আপ নিয়ে ঘুমনোর ফলে বাড়তে পারে ব্রণর সমস্যা।
অনেকের আবার মেকআপ না করেও ব্রণর সমস্যায় ভোগেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাঁরা বাইরে থেকে বাড়ি ফিরে ভালো করে মুখ পরিষ্কার করেন না। বাইরে ধুলোবালি থেকে ত্বকের সমস্যায় ভোগেন।
প্রতিদিন আমরা আমাদের জামাকাপড় বদলাই। সেগুলি নিয়মিত কাচাকাচিও করি। কিন্তু বিছানার চাদর এবং বালিশের কভার প্রতিদিন বদলান না অনেকেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিত্য ব্যবহার করা চাদর কিংবা বালিশের কভার থেকেও ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বাড়ে।
বর্তমান যুগে চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন অধিকাংশ মহিলা। চুলের পরিচর্চায় কেউ কেউ সারারাত মাথায় তেল মেখে ঘুমোন। পরদিন শ্যাম্পু করেন। এই অভ্যাসও কিন্তু ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ। তাই শ্যাম্পু করার আগে রাতে তেল মেখে না ঘুমানোই ভালো। পরিবর্তে স্নানের ঘণ্টাদুয়েক আগে হট অয়েল ম্যাসাজ করে নিন।
বালিশে মুখ গুঁজে ঘুমনোর অভ্যাস রয়েছে অনেকের। তাঁদের ব্রণর সমস্যা বাড়তে পারে। এভাবে ঘুমানোর অভ্যাস আজই বদলান। নইলে বিপদ হতে পারে।
