চোখের ভাষা নাকি মনের কথা বলে! কিন্তু সেই চোখ যদি ক্লান্ত দেখায়, তাহলে সাজগোজের মহিমা কিছুটা ফিকে হয় বইকি! বর্তমানে সোশাল মিডিয়ার যুগে ‘ফিল্টার’ ব্যবহার করে চোখ বড় দেখানোর প্রবণতা বাড়লেও, মেকআপের সামান্য কারসাজিতেই আপনি পেতে পারেন টানা টানা মায়াবী চোখ। পার্লারে না গিয়েও ঘরে বসে কীভাবে চোখকে আকর্ষণীয় করবেন, রইল তার সহজ কিছু টিপস।
ফাইল ছবি
ওয়াটারলাইনে আসুক বদল
আমরা সাধারণত চোখে গাঢ় কালো কাজল পরতেই অভ্যস্ত। কিন্তু ছোট চোখকে বড় দেখাতে চাইলে নিচের ওয়াটারলাইনে কালো কাজলের বদলে সাদা বা ‘ন্যুড’ শেডের কাজল ব্যবহার করুন। এতে চোখের মণি অনেক বেশি উজ্জ্বল ও খোলা মনে হয়। চোখের ক্লান্তি ভাব নিমেষে দূর করতে এই ট্রিকটি অব্যর্থ।
হাইলাইটারের জাদু
চোখের ভেতরের কোণ বা ‘ইনার কর্নার’-এ সামান্য একটু শিমার বা সিলভার হাইলাইটার লাগিয়ে নিন। এই ছোট্ট ছোঁয়াটি আপনার চোখকে তাৎক্ষণিকভাবে বড় দেখাবে। দিনের অনুষ্ঠান বা রাতের পার্টি— দুই ক্ষেত্রেই এটি দারুণ কাজ করে।
ফাইল ছবি
আইল্যাশ ও মাসকারার ব্যবহার
চোখ বড় দেখাতে চান? চোখের পল্লবকে ঘন ও লম্বা করে নিন। কীভাবে? মাসকারা লাগানোর আগে অবশ্যই আইল্যাশ কার্লার দিয়ে পাপড়িগুলো কার্ল করে নিন। এরপর ভালো মানের ভলিউমাইজ়িং মাসকারা ব্যবহার করুন। এতে চোখের পাতা ওপরের দিকে উঠে থাকে, যা চোখকে অনেকটা প্রসারিত দেখায়।
আইলাইনার হোক স্মার্ট
পুরো চোখ জুড়ে মোটা করে লাইনার পরলে অনেক সময় চোখ আরও ছোট দেখায়। তার বদলে চোখের অর্ধেক থেকে বাইরের দিকে ‘উইংড লাইনার’ টানুন। এটি চোখকে লম্বাটে ও ড্রামাটিক লুক দেয়। চোখের নিচে লাইনার না লাগিয়ে কেবল ওপরের পাতায় সূক্ষ্ম রেখা টানলে চোখ বেশি বড় দেখায়।
ফাইল ছবি
ক্রিজ এরিয়ায় কারসাজি
চোখের গভীরতা বাড়াতে ক্রিজ এরিয়ায় অর্থাৎ চোখের পাতার ভাঁজে হালকা বাদামি বা ‘টাউপ’ রঙের আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। এটি ব্লেন্ডিং ব্রাশ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে দিলে চোখে একটা থ্রি-ডি এফেক্ট তৈরি হয়। এর ফলে চোখের পাতা অনেক বড় ও গভীর দেখায়।
পরিশেষে মনে রাখবেন, মেকআপের আগে চোখের চারপাশের ডার্ক সার্কেল লুকোতে কনসিলার ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। ডার্ক সার্কেল থাকলে চোখ ছোট ও বসে যাওয়া দেখায়। সঠিক কনসিলার এবং এই সহজ হ্যাকসগুলো মেনে চললে কোনও ফিল্টার ছাড়াই আপনার চোখ হয়ে উঠবে ভিড়ের মধ্যে অনন্য।
