এবার কলকাতা হাই কোর্টেও 'মিট্টি ক্যাফে'। বিশেষভাবে সক্ষম ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নরা উপযুক্ত প্রশিক্ষণ পেয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই ক্যাফে চেন চালাচ্ছেন। রাষ্ট্রপতি ভবন, সুপ্রিম কোর্টেও রয়েছে। রবিবার দুপুরে হাই কোর্টের ‘ই’গেটের ভিতরে এই ক্যাফে উদ্বোধন করেন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি তথা কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি, কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল-সহ অন্য বিচারপতিরা। ক্যাফের পরিচালনায় থাকা বিশেষভাবে সক্ষম ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের উদ্দেশে বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, "এঁরাও লড়াই করে সমাজের মূলস্রোতে ফিরতে চাইছে। এঁদের লড়াইকেও প্রশংসা কুর্নিশ জানানো উচিৎ। সমাজের আর পাঁচটা মানুষের মতো তাঁরা বাঁচতে পারে সেই সুযোগ করে দেওয়া উচিত।"
প্রসঙ্গত, বিশেষ ভাবে সক্ষম ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নরা যাতে আর পাঁচ জনের মতো বিভিন্ন স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারেন, তার জন্য তাঁদের পরিচালনায় এই ক্যাফের ভাবনা। মিট্টি ক্যাফের যাত্রা শুরু হয় বেঙ্গালুরুতে। এখন দেশের রাজধানী দিল্লির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান থেকে বিমানবন্দর, তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার ক্যাম্পাস-সহ ৪০টি জায়গায় এই ক্যাফের কাউন্টার। মিট্টি ক্যাফে রয়েছে কলকাতায় এনএসএইচএম ক্যাম্পাসেও। শনিবার জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবনের উদ্বোধন সেরে এদিক দুপুরে হাই কোর্টে পৌঁছন দেশের প্রধান বিচারপতি এবং অন্য বিচারপতিরা।
এদিন ক্যাফে উদ্বোধনের পর দেশের প্রথম হাই কোর্ট তথা এক সময়ের সুপ্রিম কোর্ট, গোটা কলকাতা হাই কোর্ট চত্ত্বর ঘুরে দেখেন দেশের প্রধান বিচারপতি কান্ত। উপস্থিত অন্যান্য বিচারপতিদের কাছে হাই কোর্টের ইতিহাস সম্পর্কে শোনেন। এছাড়াও জাজেস লাইব্রেরীতে মেডিয়েশনের উপর একটি বই উদ্বোধন করেন। সেখানে হাই কোর্টের আইনজীবীদের তিনটি সংগঠন হাই কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, বার লাইব্রেরি এবং ইনকর্পোরেট ল’ সোসাইটির প্রতিনিধি আইনজীবীদের কথা বলে সুবিধা অসুবিধা কথা খোঁজ নেন।
