একে ইউসেফে রক্ষা নেই! দোসর অ্যান্টন সোজবার্গ। প্রথম ম্যাচে ইউসেফ এজেজারির জোড়া গোলে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে হারিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ইউসেফের পারফরম্যান্স যখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে, তার মধ্যেই খুশির খবর। লাল-হলুদে এলেন নতুন বিদেশি অ্যান্টন সোজবার্গ। সোমবারই হাতে ভিসা পেয়েছিলেন তিনি। বুধবার সকালেই কলকাতায় পা রাখলেন অ্যান্টন।
অ্যান্টন এসে যাওয়ায় স্ট্রাইকার পজিশনে বিকল্প বাড়ল অস্কারের হাতে। প্রয়োজনে দুই বিদেশি স্ট্রাইকারকে একসঙ্গে দেখা যেতে পারে। শুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের পরের ম্যচে প্রতিপক্ষ স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি। তার আগে ডেনমার্কের স্ট্রাইকারকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত অস্কার। ২৫ বছর বয়সি ফুটবলারকে নিয়ে লাল-হলুদের কোচ বলছেন, "ছোট লিগে প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে অ্যান্টনের গোলের খিদে, শারীরিক শক্তি ও এনার্জি আমাদের কাজে লাগবে।"
কলকাতায় এসে পৌঁছলেন অ্যান্টন। ছবি: সংগৃহীত
ইস্টবেঙ্গলে ৭৭ নম্বর জার্সি পরবেন অ্যান্টন। এর আগে ইউরোপ ও আমেরিকার ক্লাবে খেলেছেন। অ্যান্টন নিজে বলছেন, "ইস্টবেঙ্গলের ঐতিহ্য সম্পর্কে আমি ইতিমধ্যে জেনে গিয়েছি। আমি এখানে লড়াই করব, গোল করব। দলকে আইএসএল জিততে সাহায্য করব। সমর্থকদের সামনে খেলতে মুখিয়ে আছি।" অ্যান্টনকে নিয়ে ষষ্ঠ বিদেশি সই হয়ে গেল লাল-হলুদের। গোল করলে যাঁর সেলিব্রেশন, হাত দিয়ে ভাইকিংদের মুকুটের মতো শিং তৈরি করা।
কয়েক মরশুম যেখানে হতাশায় ডুবতে হয়েছে লাল-হলুদ সমর্থকদের। এবারে সামগ্রিকভাবে যা পরিস্থিতি তাতে আইএসএল নিয়ে আশা করতেই পারেন তাঁরা। কেভিন সিবিলে, নাওরেম মহেশ সিংরা ফিরে এলে শক্তি আরও বাড়বে। অল্পের জন্য হ্যাটট্রিক না হলেও দল জেতায় খুশি ইউসেফ। প্রথম ম্যাচে জোড়া গোল করে দলকে জেতানোর পর তিনি বলেন, "আমি খুশি তিন পয়েন্ট আসায়। এভাবেই এগিয়ে যেতে চাই। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই লিগে প্রত্যেকটি ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রতিটি পদক্ষেপ মেপে চলতে চাই।” সোমবার শুধু তিন গোলে জয়টা নয়, পাশাপাশি গোল না খাওয়াটাকেও গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসাবে দেখছেন লাল-হলুদ কোচ অস্কার ব্রুজো।
