যে চার্চিল ব্রাদার্সকে আইএসএলে না নেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছিল ক্লাব-জোট। শুক্রবার সেই চার্চিলকেই আইএসএলে নেওয়ার কথা বলে একশো আশি ডিগ্রি অবস্থান বদল করে ফেডারেশনকে চিঠি দিল দুই গুরুত্বপূর্ণ ক্লাব এসসি দিল্লি ও এফসি গোয়া। শোনা যাচ্ছে, আরও কয়েকটি আইএসএল ক্লাব একই চিঠি দিতে চলেছে ফেডারেশনকে।
আইএসএল শুরুর ঠিক আগের দিন দুই ক্লাবের এই পত্রবোমায় টুর্নামেন্ট শুরুর চবিবশ ঘণ্টা আগে রীতিমতো অস্বস্তিকর আবহাওয়া ভারতীয় ফুটবলে। নাটকের এখানেই শেষ নয়। আইএসএল চালানোর জন্য যে তিন সদস্যের ম্যানেজিং কমিটি তৈরি হয়েছে। সেই তিন সদস্যের কমিটি থেকেও রবি পুষ্কর ও ধ্রুব সুদ পদত্যাগ করলেন এদিন। এই দুই কর্তাই আবার এসসি দিল্লি ও এফসি গোয়ার কর্তা। এই কমিটিতে তৃতীয় সদস্য নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের মান্দার তামানে। আরও শোনা যাচ্ছে, রবি পুষ্কর ও ধ্রুব সুদ, দুজনেই এদিন জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা আইএসএলের জন্য এক কোটি টাকা দেবেন না।
এখনও পর্যন্ত ক্লাবগুলি আইএসএল গভর্নিং কাউন্সিল গঠনের জন্য যে চ্যাটার রয়েছে, তাতেও সম্মতি জানিয়ে সই করেনি। ফলে গভর্নিং কাউন্সিলও গঠন করা যায়নি। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত আইএসএল নিয়ে চিন্তার মেঘ রয়েই গেল। এখন পরিস্থিতি যে দিকে গড়াচ্ছে বহু কষ্টে আইএসএল শুরু হতে চললেও হঠাৎ করে যদি এই লিগে চার্চিলের অন্তর্ভুক্তি ঘটে তাহলে দলসংখ্যা শুধু বাড়বেই না, একই সঙ্গে সূচিতেও বদল আসবে। যা এক প্রকার হাস্যকর পরিস্থিতি।
এখন প্রশ্ন উঠছে, এই আইএসএল ক্লাবগুলিই একটা সময় একজোট হয়ে চিঠি দিয়েছিল চার্চিলকে আইএসএলে না নেওয়ার জন্য। পরবর্তী কালে সেই চিঠি ফেডারেশনের কার্যকরী কমিটির সভায় তুলে ধরা হয়। সেখানে কার্যকরী কমিটির সদস্যরাও ক্লাব-জোটের সঙ্গে একমত হয়ে এই মরশুমে চার্চিলের অন্তর্ভুক্তি চায়নি। এখন কী এমন ঘটনা ঘটল যে, সেই আইএসএল ক্লাবেদের একাংশ চার্চিলকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এক এক করে চিঠি দিচ্ছেন।
