হ্যাটট্রিক করলেও লিওনেল মেসিকে (Lionel Messi) নিয়ে নতুন বিতর্ক। আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ের ম্যাচে এক ট্যাকলের ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, রেফারির সিদ্ধান্তে কি সুবিধা পেয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক? অনেকেই বলছেন, স্রেফ নামের জোরে লাল কার্ডের শাস্তি থেকে বেঁচে গেলেন এলএম ১০।
ঘটনাটি ঘটে মেসির প্রথম গোলের কিছুক্ষণ পর। আলজেরিয়ার অধিনায়ক আইসা মান্ডির কাছে তখন বলের নিয়ন্ত্রণ। পিছন দিক থেকে বল কাড়তে গিয়ে মান্ডিকে ফাউল করেন মেসি। রেফারি সিমন মার্সিনিয়াক ফাউল দিলেও কোনও কার্ড দেখাননি। রিপ্লেতে দেখা যায়, মেসির বুটের স্টাড মান্ডির ডান পায়ের কাফ মাসল ও আখিলিস টেন্ডনের মাঝামাঝি অংশে লেগেছে।
ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের ট্যাকলে স্টাড উঁচু থাকলে সাধারণত হলুদ কার্ড দেখানো হয়। আর প্রতিপক্ষ ফুটবলারের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়লে সরাসরি লাল কার্ডও দেওয়া যেতে পারে। সেই কারণেই রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। সোশাল মিডিয়ায় মেসির সেই ট্যাকলের ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়। অনেকেই বলে বসেন, অন্য কোনও ফুটবলার এমন ট্যাকল করলে অন্তত হলুদ কার্ড দেখতেন। কেউ কেউ রেফারির পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তুলেছেন।
বিতর্কের মাঝেই ম্যাচে নিজের কাজটা ঠিকই করেছেন মেসি। এরপর আরও দু'টি গোল করে বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৬-তে। জার্মান কিংবদন্তি জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোজের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ডও ছুঁয়ে ফেললেন এলএম ১০। এখন মেসির সামনে একক রেকর্ড গড়ার সুযোগ। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পরের ম্যাচে একটি গোল করলেই তিনি ক্লোজেকে পিছনে ফেলে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যাবেন। তবে অনেকের মতে, ওই ট্যাকলের জন্য মেসি লাল কার্ড দেখলে হ্যাটট্রিকই করতে পারতেন না। এমনকী পরের ম্যাচেও নামা হত না। সেই কারণেই বিতর্ক আরও জোরাল হয়েছে।
