নিজের বয়স সাড়ে তিন। দাদার বয়স মোটে উনিশ। তবে দাদা এই বয়সেই বিশ্ব ফুটবলে চেনা মুখ হয়ে উঠেছেন নিজের পারফরম্যান্সের সুবাদে। আর দাদার সুবাদে 'সেলিব্রিটি' তকমা পাচ্ছে সেই একরত্তিও। তার প্রতিটি কাজের ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়!
এবারের বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) এখনও নামের প্রতি সেভাবে সুবিচার করতে পারেননি লামিন ইয়ামাল (Lamine Yamal)। ফলে সেভাবে আলোচনায় নেই তিনি। তবে তাঁর ভাই কেইন ইয়ামাল রীতিমতো প্রচারের কেন্দ্রে রয়েছে। বিশ্বকাপে স্পেনের সব ম্যাচেই তাকে নিয়ে গ্যালারিতে উপস্থিত থাকছেন লামিনের মা শেইলা ইবানা। আর দাদাকে খেলতে দেখে দর্শকাসনে থাকা কেইনের খুশি যেন বাঁধ মানছে না। এমনও দেখা গিয়েছে, মায়ের কোল থেকেই মাঠে দাঁড়ানো দাদার উদ্দেশ্যে 'ফ্লাইং কিস' দিচ্ছে কেইন। পাল্টা আদর ফিরিয়ে দিয়েছেন লামিনও। ভাইয়ের প্রতি দাদার ভালোবাসা অকৃত্রিম। বহু সাক্ষাৎকারে কেইনকে নিজের সবচেয়ে প্রিয় বলেও উল্লেখ করেছেন লামিন। দাদাকে উৎসাহ দিতে তাই মার্কিন মুলুকে শহরে শহরে ঘুরছে এই খুদেও।
এমনকী অনেকে তো বলেছেন, 'বিশ্বকাপের আসল তারকা তো কেইনই।' আবার কারও বক্তব্য, 'গ্যালারি থেকে স্পেনের সবচেয়ে ভালো প্লেয়ার।' কেইনের ভিডিও মানেই সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। কখনও গ্যালারির মধ্যে অকারণে দৌড়ে বেড়াচ্ছে। কখনও মজার মুখ করে অন্যদের ভেঙাচ্ছে। আর সুযোগ পেলেই দেদার নাচছে। আবার গোল করে রোনাল্ডোর মতো 'সিইইউউ' করছে।' অবশ্য এবারই প্রথম নয়। ২০২৪-র ইউরো মঞ্চ মাতিয়ে দিয়েছিল ইয়ামালের ভাই। এবার সেটা আরও বেড়েছে।
