নগদ অর্থ, দামি উপহার, গাড়ি-বাড়ি– বিশ্বজয়ী খেলোয়াড়দের সম্মান জানাতে এমন আয়োজন নতুন কিছু নয়। কিন্তু বিশ্বকাপ জিতে ফেরা স্পেনের দুই ফুটবলার ফ্যাবিয়ান রুইজ ও গাভির জন্য অপেক্ষা করছিল ব্যতিক্রমী উপহার। নিজেদের শহরে ফিরতেই তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হল ওজনের সমান টমেটো।
বিশ্বকাপ জয়ের পর রাজধানী মাদ্রিদে প্রায় ২০ লক্ষ সমর্থকের উপস্থিতিতে বিজয়োৎসব সেরে মঙ্গলবার আন্দালুসিয়ার লস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কায় ফেরেন দুই তারকা। তাঁদের বরণ করে নিতে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্থানীয় সিটি কাউন্সিল। আসলে এটা সেখানকার বহু দিনের প্রথা, এলাকার কৃতীদের ওজনের সমান টমেটো উপহার দেওয়া হয়। সেই রীতিই পালন করা হয়েছে রুইজ ও গাভির ক্ষেত্রেও। টমেটোভর্তি ঝুড়ি হাতে ছবি তোলেন দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।
সম্মান শুধু টমেটোতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। এলাকার দুই স্টেডিয়ামের নামও বদলে ফেলা হচ্ছে। মারিসমাস স্টেডিয়ামের নতুন নাম হবে ফ্যাবিয়ান রুইজ স্টেডিয়াম। স্যান সেবাস্তিয়ান স্টেডিয়ামের নাম রাখা হবে পাবলো পায়েজ গাভি স্টেডিয়াম। দুই ফুটবলারের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে এই মাঠগুলির স্মৃতি। স্থানীয় ক্লাব লস পালাসিয়োস সিএফ থেকেই রুইজের উত্থান। আর ছ'বছর বয়সে লা লিয়ারা বালোম্পির যুব দলে যোগ দিয়েছিলেন গাভি। দুই ক্লাবই দীর্ঘদিন ধরে ওই দুই স্টেডিয়ামেই হোম ম্যাচ খেলে।
এছাড়াও হুয়ান হোসে ভাকেরো অ্যাভিনিউয়ে তৈরি হবে একটি স্মারক সৌধ। সেখানে স্থান পাবে রুইজ, গাভি এবং ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী স্থানীয় ফুটবলার জেসুস নাভাসের স্মৃতি। উল্লেখ্য, গত রবিবার বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে স্পেন। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন ফেরান তোরেস। বিশ্বজয়ের পর নিজের শহরে ফিরে এমন অভিনব সংবর্ধনায় স্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন রুইজ ও গাভি।
