shono
Advertisement
Argentina's football association

বিশ্বকাপে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি! বিমানবন্দরেই আর্জেন্টিনার ফুটবলকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ এফবিআইয়ের

বিমান ওড়ার কয়েক মিনিট আগে তাঁকে আটক করে এফবিআই। মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বিমানবন্দরেই শুরু হয় ম্যারাথন জেরা। যদিও এই দাবি পুরোপুরি খারিজ করে দিয়েছে আর্জেন্তিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।
Published By: Subhajit MandalPosted: 10:58 AM Jul 23, 2026Updated: 10:58 AM Jul 23, 2026

বিশ্বকাপ চলাকালীন বিরাট আর্থিক দুর্নীতি! আর্জেন্টিনার ফেরার বিমান ধরার আগেই এফবিআইয়ের নজরে সেদেশের ফুটবলসংস্থার প্রধান ক্লদিও তাপিয়া। সূত্রের খবর, বুয়েনস আইরেসের বিমান ধরার ঠিক আগের মুহূর্তে তাপিয়াকে আটকে দিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। সূত্রের খবর, আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থার প্রধানকে বেশ কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যদিও পরে তিনি দেশে ফিরতে পেরেছেন।

Advertisement

এমনিই ফাইনালের হারে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে আর্জেন্টিনার। ভগ্ন হৃদয়ে বুয়েনস আইরেসের বিমান ধরার জন্য দলের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বিমানবন্দরে পৌঁছে যান ক্লদিও তাপিয়াও। তখনই অভাবনীয় কাণ্ড। বিমানবন্দরে হাজির আমেরিকার ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআই। বিমান ওড়ার কয়েক মিনিট আগে তাঁকে আটক করে এফবিআই। মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বিমানবন্দরেই শুরু হয় ম্যারাথন জেরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, দলের বাসের মধ্যেই প্রায় ৩০ মিনিট ধরে জেরা করা হয় কর্তাদের। তাপিয়ার পাশাপাশি এই জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েন আর্জেন্তিনা ফুটবল সংস্থার কোষাধ্যক্ষ পাবলো তোভিগিনো।

আসলে বিশ্বকাপ চলাকালীনই আর্জেন্টিনার ফুটবলসংস্থার প্রধানের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, তাপিয়ার নেতৃত্বে বড়সড় আর্থিক তছরুপ চলেছে লিওনেল মেসির দেশে। সেই অর্থে বেশ কিছু অপরাধও সংগঠিত হয়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর্জেন্টিনার সংবাদপত্র লা নাসিওঁ সূত্রে খবর, গত কয়েকমাস ধরে তারা প্রচুর নথিপত্র খতিয়ে দেখেছে। সেখানে উল্লেখ রয়েছে তুরপ্রোদএন্টার এলএলসি নামে এক মার্কিন সংস্থার নাম, যারা আর্জেন্টাইন সংস্থার আর্থিক বিষয়গুলি দেখাশোনা করে। জানা গিয়েছে, দুই রাজনৈতিক নেতা ২০২৫ সালের শেষ থেকে কয়েকমাস ধরে কোটি কোটি ডলার লেনদেন করেছেন। মার্কিন মুলুকের পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই লেনদেন হয়েছে। সেই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে অন্তত ২৬ কোটি ডলার পেয়েছে তুরপ্রোদএন্টার এলএলসি। শুধু তাই নয়, প্রায় ৬ কোটি ডলার একাধিক সংস্থার মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের এই বিপুল ব্যয় কেন, জানা যায়নি। যেহেতু মার্কিন ব্যাঙ্কের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে, সেকারণেই ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে এফবিআই। তাদের অনুমান, এই অর্থের মাধ্যমে কোনও অপরাধ হয়ে থাকতে পারে। এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই তাপিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে খবর। যদিও এই দাবি পুরোপুরি খারিজ করে দিয়েছে আর্জেন্তিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। তাদের তরফে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়, 'মার্কিন আদালত আমাদের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া বা কোষাধ্যক্ষ পাবলো তোভিগিনোকে কোনও প্রমাণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়নি।' অর্থাৎ, তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়নি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement