সৌজন্য বা ভদ্রতা, যাই বলুন না কেন, তা তো এমনই হওয়া উচিত। যার নজির রাখলেন স্প্যানিশ তারকা মিডফিল্ডার পাবলো গাভি।
সদ্যসমাপ্ত বিশ্বকাপ ফাইনালে ম্যাচ শেষে যা ঘটেছে, তা সবাই দেখেছেন। গাভিকে রীতিমতো ঘাড় ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। দুই দলের সদস্যরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। ম্যাচ পরবর্তী বিতর্কিত ঘটনায় জড়িয়ে পড়া আর্জেন্টিনার তারকা পারেদেস ক্ষমা চাওয়া তো দূরের, দুঃখপ্রকাশও পর্যন্ত করেননি ঘটনার জন্য। কিন্তু যাঁকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়েছিলেন পারেদেস, সেই গাভি বুধবার জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আর আর্জেন্টিনার ফুটবলারের শাস্তি চান না। গাভি বলেছেন, আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের সাসপেন্ড করা হোক, তিনি চাইছেন না।
সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাভি বলেছেন, "না, আমি চাই না, ওদের নির্বাসিত করা হোক। মানছি, বিশ্বকাপ ফাইনালে ম্যাচ শেষের পর যা ঘটেছে তা আগামী প্রজন্মের কাছে মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। আসলে যেটা ঘটেছে, সেটা হল ফুটবলের আরও একটা দিক, আগ্রাসন। দুই দলই আগ্রাসী আচরণ করেছে।" গাভি মনে করেন, ম্যাচের পর কী ঘটেছে, তা খতিয়ে না দেখে, ম্যাচের মধ্যে কী হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা দরকার ছিল। ম্যাচটা যদি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা হত, তা হলে এরকম ঘটনাই ঘটত না। "পারেদেসকে ম্যাচ চলাকালীন যদি বের করে দেওয়া হতো, তা হলে এই ঘটনা কি? বিষয়টি আগেই শেষ হয়ে যেত। ম্যাচর পর কিন্তু ফুটবল নিয়ে কোনও ঝামেলা হয়নি।"
গাভি বিষয়টি ভুলে যাওয়ার কথা বললেও ফিফা কিন্তু ফাইনাল ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের আচরণ নিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। বিশেষ করে পারেদেসের আচরণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যা খবর, তাতে তদন্ত শেষ হওয়ার পর বেশ কয়েকজন আর্জেন্টিনার ফুটবলার শাস্তি পেতে পারেন।
