ঘড়ির কাঁটা মেনে কাজ করছেন। পরিশ্রমের কমতি নেই। অথচ পদোন্নতির খাতায় অশ্বডিম্ব। জুনিয়ররা তুড়ি মেড়ে উপরে উঠে যাচ্ছে। আপনি পড়ে রয়েছেন সেই তিমিরেই। বসের মন পাচ্ছেন না কিছুতেই। বাস্তুবিদরা বলছেন, এর জন্য দায়ী আপনার অফিসের ব্যাগ। ব্যাগের ভেতর থাকা কিছু সামগ্রী আপনার অজান্তেই নেতিবাচক শক্তি টেনে আনছে। কেরিয়ারের বাধা কাটাতে আজই ব্যাগ থেকে এই ৫টি জিনিস বিদায় করুন।
প্রতীকী ছবি
সুগন্ধি ও প্রসাধনী
সাজগোজের নেশা থাকা ভালো। কিন্তু সেই সরঞ্জাম অফিসের ব্যাগে রাখা শুভ নয়। বিশেষ করে সুগন্ধি বা পারফিউম ব্যাগে বয়ে নিয়ে যাবেন না। বাস্তু মতে, পারফিউমে অ্যালকোহল থাকে। এটি মনের একাগ্রতা নষ্ট করে। কাজে মনোযোগ কমিয়ে দেয়। এছাড়া কসমেটিকস পাউচ নেগেটিভ এনার্জি তৈরি করে। এটি আপনার উন্নতির পথে প্রধান বাধা হতে পারে।
ধারালো সামগ্রী
ব্যাগের কোণে নেল কাটার বা ছোট ছুরি পড়ে নেই তো? এই সামান্য অভ্যেস আপনার সর্বনাশ করতে পারে। বাস্তু মতে, ব্যাগে ধারালো বস্তু রাখা মানেই অশান্তিকে আমন্ত্রণ জানানো। এটি বস ও সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করে। এই সব জিনিস রাহু ও মঙ্গলের নেতিবাচক প্রভাব বাড়িয়ে দেয়। ফলে অহেতুক বিবাদ বাড়ে।
ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি
টুথব্রাশ বা চিরুনি ব্যাগে রাখা একদম বন্ধ করুন। ব্যক্তিগত হাইজিন প্রোডাক্ট ব্যাগের ভেতর রাখা বাস্তুসম্মত নয়। স্যানিটারি ন্যাপকিন বা মাউথ ফ্রেশনারও ব্যাগে রাখা উচিত নয়। এই সব বস্তু থেকে নির্গত শক্তি যথেষ্ট ক্ষতি করে। প্রয়োজনে এই সামগ্রী অফিসের ড্রয়ারে রাখুন। কিন্তু ব্যাগের ভেতর রাখা ত্যাগ করুন।
নোংরা কাপড় ও রুমাল
ব্যাগে ভুলেও নোংরা কাপড় রাখবেন না। ব্যবহার করা রুমাল বা মোজা ব্যাগে ফেলে রাখা অমঙ্গলের লক্ষণ। এটি মানসিক ক্লান্তি ও বিরক্তি বাড়ায়। আপনি দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার এটি একটি বড় কারণ। প্রতিদিন ব্যাগ পরিষ্কার করে নতুন রুমাল রাখুন।
প্রতীকী ছবি
অপ্রয়োজনীয় জঞ্জাল
ব্যাগের ভেতর অনেক সময় পুরোনো রসিদ বা কাগজ জমে থাকে। এই সব বাজে কাগজ আপনার কেরিয়ারের ক্ষতি করে। জট পাকানো তার বা অকেজো পেন অবিলম্বে সরিয়ে ফেলুন। এগুলো মানসিক অস্থিরতা বাড়ায়। পরিষ্কার ব্যাগে কাজ করলে পজ়িটিভ পরিবর্তন আসবেই।
এই ছোট পরিবর্তনগুলো আজই করে দেখুন। কর্মক্ষেত্রে আপনার সম্মান বাড়বে। ধীরে ধীরে সাফল্যের সব কটি দরজা খুলে যাবে। পদোন্নতি আর অধরা থাকবে না।
