কয়েকদিন আগে আপ ছেড়েছেন রাঘব চাড্ডা-সহ ৭ জন সাংসদ। এরপর গুঞ্জন ছড়াচ্ছিল, পাঞ্জাবেও আপের হাল গুরুতর। ২৮ জন বিধায়ক দল ছাড়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। এমনটাই দাবি করেছেন হরিয়ানায় আপের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি নবীন জয়হিন্দ। তাঁর মতে, পাঞ্জাবে আম আদমি পার্টির অন্দরে অসন্তোষ চরম আকার নিয়েছে। কিন্তু এহেন পরিস্থিতিতেও স্বস্তি আম আদমি পার্টির পাঞ্জাবে শিবিরে। সুস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিধানসভায় আস্থা ভোটে জয়ী হল আপ।
১১৭ সদস্যের বিধানসভায় আপের সদস্য ৯৪ জন। বাকিদের মধ্যে ১৬ জন কংগ্রেস। এছাড়া বিএসপি ও এসএডির একজন করে রয়েছেন। এছড়া বিজেপির দুই বিধায়ক ও একজন নির্দল বিধায়ক রয়েছেন। এদিকে আম আদমি পার্টির ১০ জন রাজ্যসভা সাংসদের মধ্যে ৭ জনই দল ছাড়ায় আস্থা ভোট নিয়ে একটা সংশয় ছিল। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান জোর দিয়ে বলেন, নেতিবাচক খবর ও গুজব ছড়িয়ে পড়ছে রাজ্যসভার সদস্যরা দল ছাড়ায়। সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''শোনা যাচ্ছিল আপের ৪০ থেকে ৬৫ জন বিধায়ক নাকি দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের সেই সমস্ত জল্পনা-কল্পনার আজ অবসান ঘটল।''
চলতি মাসের প্রথমদিকে রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাঘবকে। তখন থেকেই আপ সাংসদের বিজেপিযোগের জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। সেসময়ে অশোক মিত্তলকে বসানো হয় রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদে। কিন্তু তিনিও এবার নাম লিখিয়েছেন বিজেপিতে। আর এরপর সব জল্পনা সত্যি করে রাঘব চলে যান পদ্ম শিবিরে। এহেন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি পাঞ্জাবেও আপের ক্ষমতা হারানো স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। এবার আস্থা ভোটের জয় কেজরিদের অস্বস্তি কাটাবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
