আধিকারিক প্রশান্ত চান্ডিলাকে পুরস্কৃত করল ইডি। 'বিরল পেশাদারি সাহসিকতা'র পরিচয় দেওয়া হয়েছে তাঁকে। প্রশান্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অ্যাসিস্ট্য়ান্ট ডিরেক্টর পদে রয়েছেন। সম্প্রতি কলকাতায় তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের অফিস এবং কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাসভবনে তল্লাশিতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই আধিকারিক।
ইডি আধিকারিককে পুরস্কার দেওয়ার সময় সঞ্চালক বলেন, "কলকাতার একটি অভিযানে প্রশান্ত চান্ডিলা ব্যতিক্রমী পেশাদারি সাহসিকতা দেখিয়েছেন। বুদ্ধিদীপ্ত তৎপরতায় সিজার লিস্ট তৈরি করেছে। ওই সিজার লিস্ট পরে সুপ্রিম কোর্টের মামলায় মূল প্রমাণ হিসাবে কাজে লেগেছে। তাই তাঁকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে।" তবে আইপ্যাকের কথা একবারের জন্য বলেননি তিনি।
১৯৫৬ সালের ১ মে পথচলা শুরু ইডির। শুক্রবার ছিল ৭০ তম ইডি দিবস। এই অনুষ্ঠানে পাঁচজন ইডি আধিকারিককে পুরস্কৃত করা হয়। সেই তালিকায় রয়েছেন প্রশান্ত চান্ডিলা, বিক্রম অহলাট নামে আরও এক আধিকারিক। দু'জনেই আইপ্যাক মামলার তদন্তে যুক্ত। জানা গিয়েছে, প্রশান্তকে 'বিরল পেশাদারি সাহসিকতা'র পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। সঞ্চালক পুরস্কারের কথা ঘোষণার সময় কলকাতার অভিযান প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "কলকাতার একটি অভিযানে প্রশান্ত চান্ডিলা ব্যতিক্রমী পেশাদারি সাহসিকতা দেখিয়েছেন। বুদ্ধিদীপ্ত তৎপরতায় সিজার লিস্ট তৈরি করেছে। ওই সিজার লিস্ট পরে সুপ্রিম কোর্টের মামলায় মূল প্রমাণ হিসাবে কাজে লেগেছে। তাই তাঁকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে।" তবে আইপ্যাকের কথা একবারের জন্য বলেননি তিনি।
গত জানুয়ারি মাসে আইপ্যাকের সল্টলেকের অফিস এবং কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশি অভিযান চালায়। সেবার সটান সেখানে হাজির হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইপ্যাকের অফিস থেকে বেশ কয়েকটি ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসতেও দেখা যায় তাঁকে। তা নিয়েও চাপানউতোর কম হয়নি। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টেও। সেই আধিকারিককেই এবার পুরস্কৃত করল ইডি।
