এক সপ্তাহ আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তিনি। সেই প্রাক্তন আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা সন্দীপ পাঠক এবার গ্রেপ্তারির মুখে। তাঁর বিরুদ্ধে জোড়া মামলা রুজু করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। গ্রেপ্তারির ভয়ে ইতিমধ্যেই তিনি নিজের বাসভবন ছেড়েছেন বলে খবর।
পাঞ্জাব পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার জামিন অযোগ্য ধারায় সন্দীপের বিরুদ্ধে মামলাগুলি রুজু করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং নারী হেনস্তার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। মামলা দু’টিতে গ্রেপ্তার হতে পারেন প্রাক্তন আপ নেতা। ইতিমধ্যেই একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে (যদিও ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। যেখানে দেখা যাচ্ছে, বাড়ির পিছনের দরজা বেরিয়ে একটি গাড়িতে উঠছেন সন্দীপ। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, বিজেপি নেতার ফোন বন্ধ। গ্রেপ্তারি এড়াতে তিনি গোপন কোনও জায়গায় রয়েছেন। অন্যদিকে, সন্দীপকে আইনি সুরক্ষা দিতে তৎপর গেরুয়া শিবিরও।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন রাঘব চাড্ডা। তাঁর সঙ্গেই গেরুয়া শিবিরমুখী হন আরও ছয় আপ সাংসদ। তাঁরা হলেন - স্বাতী মালিওয়াল, হরভজন সিং, অশোক মিত্তল, সন্দীপ পাঠক, রাজিন্দর গুপ্তা, বিক্রম সাহানি। কিন্তু এক সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই এবার বিপাকে পড়লেন সন্দীপ।
এদিকে সাত আপ সাংসদ দল ছাড়ার পরই গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল পাঞ্জাবে ভেঙে যেতে পারে আপ সরকার। ২৮ জন বিধায়ক দল ছাড়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। এহেন পরিস্থিতিতে সুস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাঞ্জাব বিধানসভায় আস্থা ভোটে জয়ী হয়েছে আপ। ১১৭ সদস্যের বিধানসভায় আপের সদস্য ৯৪ জন। বাকিদের মধ্যে ১৬ জন কংগ্রেস। এছাড়া বিএসপি ও এসএডির একজন করে রয়েছেন। এছড়া বিজেপির দুই বিধায়ক ও একজন নির্দল বিধায়ক রয়েছেন। এদিকে আম আদমি পার্টির ১০ জন রাজ্যসভা সাংসদের মধ্যে ৭ জনই দল ছাড়ায় আস্থা ভোট নিয়ে একটা সংশয় ছিল। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান বলেন, "শোনা যাচ্ছিল, আপের ৪০ থেকে ৬৫ জন বিধায়ক নাকি দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, সেই সমস্ত জল্পনার আজ অবসান ঘটল।”
