সংসদে দাঁড়িয়েই বিরোধীদের ব্যাক টু ব্যাক অ্যাটাক! আসন পুনর্বিন্যাসের প্রসঙ্গে ভাষণ দিতে গিয়ে বিরোধীদের লাগাতার আক্রমণ করেন শাহ। বিরোধীদের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, "উত্তর-দক্ষিণ বিভাজন করতে চায় বিরোধীরা।" এই মন্তব্যের পরেই সরগরম হয়ে ওঠে সংদের অন্দরমহল। শাহের মন্তব্যের প্রতিবাদে তুমুল হইহট্টগোল করে বিরোধীরা।
শুক্রবার ৩ বিল পেশ করাকে কেন্দ্র করে দিনভর উত্তাল ছিল সংসদ ভবন। আসন পুনর্বিন্যাস বিলের বিরোধিতায় অধিবেশনের শুরু থেকে এককাট্টা হয় বিরোধীরা। বৃহস্পতিবার 'নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম' বিল লোকসভায় পেশের পর থেকেই বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, মহিলা সংরক্ষণ বিলের সঙ্গে লোকসভার আসন বৃদ্ধির মতো বিষয়টিকে জুড়ে আসলে রাজনৈতিক অভিসন্ধি পূরণ করতে চায় মোদি সরকার। বিরোধিতার ঝাঁজ আঁচ করতে পেরেই ভোটাভুটির আগে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে শেষ বক্তা হিসেবে আসরে নামেন অমিত শাহ।
দক্ষিণ ভারতের বঞ্চনার অভিযোগ নস্যাৎ করে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "দেশের মধ্যে বিভাজন করতে চাইছেন? চুল সাদা হয়ে গেলেও লক্ষ্যে পৌঁছে পারবেন না।" সেই সঙ্গে অমিত শাহের হুঁশিয়ারি, "এরপর ময়দানে নামলে দেশের নারীশক্তির ক্ষোভ টের পাবেন।"
বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিলকে সামনে রেখেই লোকসভার আসন বাড়াতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। লোকসভার দু'দিনের বিতর্কে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদবরা বারবার অভিযোগ তুলেছেন, জনগণনার আগেই নিজেদের সুবিধামতো আসন পুনর্বিন্যাস করে চাইছে বিজেপি। এর মাধ্যমে জাতীয় রাজনীতিতে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির প্রভাব খর্ব করে উত্তর ভারতের আসনের অনুপাত বাড়নোই তাদের আসল উদ্দেশ্য। বিরোধীদের অভিযোগ, এই কারণেই সংবিধান সংশোধনী বিলে লোকসভার আসন বৃদ্ধির সঙ্গে মহিলা সংরক্ষণকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ নস্যাৎ করতে সংসদে ব্যাট ধরেন অমিত শাহ। বক্তৃতার শুরুতেই বিরোধীদের 'মহিলা বিরোধী' বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করেন তিনি। আসন পুনর্বিন্যাসের প্রসঙ্গ টেনে অমিত শাহ বলেন, "উত্তর-দক্ষিণ বিভাজন করতে চায় বিরোধীরা।" এই মন্তব্যের পরেই সরগরম হয়ে ওঠে সংদের অন্দরমহল। অমিত শাহের মন্তব্যের প্রতিবাদে তুমুল হইহট্টগোল করে বিরোধীরা।
