নিজের পছন্দের যুবককে বিয়ে করেছিলেন, এই 'অপরাধে' ২২ বছরের তরুণীকে শ্বাসরোধ করে হত্য করল পরিবারের লোকেরা! মূল অভিযুক্ত জন্মদাতা পিতা। এই হত্যাকাণ্ডকে আত্মহত্যা বলে চালাতে স্থানীয় থানার এক পুলিশ আধিকারিকের সাহায্য নেয় পরিবার। অভিযোগ, এর জন্য মোটা অঙ্কের ঘুষ দেয় তারা। যদিও শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে গিয়েছে পরিবারে লোকেরা। অন্যদিকে সাসপেন্ড করে তদন্ত শুরু হয়েছে অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারের বিরুদ্ধে।
অন্ধ্রপ্রদেশের মাচের্লা শহরের ঘটনা। খুন হয়েছেন চৌদেশ্বরী। এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর। এর বিরুদ্ধে ছিল পরিবার। এই অবস্থায় গত ৪ মার্চ পালিয়ে পছন্দের যুবকের সঙ্গে বিয়ে করেন তরুণী। এর পর স্থানীয় থানায় নিখোঁজ ডাইরি করে পরিবার। ১৫ মার্চ যুগলকে চিহ্নিত করে পুলিশ। অভিযোগ, মার্চেলার সার্কেল ইন্সপেক্টর জোর করে সাবালক তরুণীকে পরিবারের হাতে তুলে দেয়। এমনকী পুলিশ আধিকারিক তরুণীকে হুমকি দিয়ে গৃহবন্দি থাকতে বলেন। এর তিন দিন পর বাড়ি থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয় তরুণীর।
প্রাথমিক ভাবে পুলিশ আধিকারিক ঘুষ দিয়ে খুনের ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করেন। যদিও পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ্যে চলে আসে। সেখানে জানানো হয়--- ঘুমন্ত অবস্থায় বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে চৌদেশ্বরীকে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তরুণীর বাবা চন্দ্রশ্রীনু এবং অন্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে আরও উঠে এসেছে--- সম্প্রতি ব্যাঙ্ক থেকে মোটা টাকা তুলেছে পরিবারটি। মনে করা হচ্ছে, খুনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওই টাকা দেওয়া হয়েছিল অভিযুক্ত সার্কেল ইন্সপেক্টরকে। ঘুষ নিয়ে খুনের প্রমাণ লোপাট-সহ একাধিক অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছে ওই পুলিশ আধিকারিককে।
