আইপিএল এসে গিয়েছে বিজনেস এন্ডে। গ্রুপ পর্বের আর মাত্র ৮টি ম্যাচ বাকি। কিন্তু প্লে অফে ওঠার দৌড়ে এখনও রয়েছে সাতটি দল। যে কোনও মুহূর্তে টুর্নামেন্টের রং বদলে দিতে পারে যেকোনও দলই। সোমবার চেন্নাই সুপার কিংস বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের আগে অন্তত ২৫৬ রকম সমীকরণ রয়েছে প্লে অফ নিয়ে। তবে কোন তিনটি দল প্লে অফে যাওয়ার সবচেয়ে বড় দাবিদার, সেই অঙ্কটা বেশ পরিষ্কার।
প্রথম দল হিসাবে ইতিমধ্যেই প্লে অফ নিশ্চিত করে ফেলেছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন আরসিবি। বাকি রয়েছে আর তিনটি জায়গা। তার মধ্যে একটা কেকেআরের দখলে আসবে কিনা, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন নাইটভক্তরা। কেকেআরের দু'টো ম্যাচ বাকি রয়েছে। ঘরের মাঠে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে খেলবে নাইটরা। ওই দুই ম্যাচের একটাও হারলে প্লে অফের দরজা বন্ধ। দুটো ম্যাচ জিততে হবে অজিঙ্ক রাহানেদের, এবং সেটা বড় ব্যবধানে। তা সত্ত্বেও প্রথম দুই দলের মধ্যে থাকতে পারবে না নাইটরা। প্লে অফে উঠলে খেলতে হবে এলিমিনেটরে।
মরশুমের শুরু থেকেই ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা চেন্নাই এখনও টিকে রয়েছে প্লে অফের দৌড়ে। তাদের কাজটা অত্যন্ত কঠিন। পয়েন্ট টেবিলে এগিয়ে থাকা দুই দল গুজরাট এবং হায়দরাবাদকে হারাতে হবে।
প্লে অফে ওঠার দৌড়ে সকলের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে হায়দরাবাদ। সোমবার চেন্নাইকে হারিয়ে দিলেই তাদের প্লে অফ কার্যত নিশ্চিত। প্রথম দুই দলের মধ্যেও তারা থাকতে পারে। গুজরাট টাইটান্সও প্লে অফের দৌড়ে ভালো জায়গায় রয়েছে। তবে বাকি থাকা একটা ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারলে তারা ছিটকে যাবে প্লে অফ থেকে। মরশুমের শুরু থেকেই ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা চেন্নাই এখনও টিকে রয়েছে প্লে অফের দৌড়ে। তাদের কাজটা অত্যন্ত কঠিন। পয়েন্ট টেবিলে এগিয়ে থাকা দুই দল গুজরাট এবং হায়দরাবাদকে হারাতে হবে। তবেই ইয়েলো আর্মির হাতে আসবে প্লে অফের টিকিট। প্রথম দুই দলের মধ্যেও চলে আসতে পারে তারা।
সবচেয়ে হতাশাজনক পারফরম্যান্স পাঞ্জাব কিংসের। আইপিএলের মাঝপথ পর্যন্ত একটাও ম্যাচ হারেনি গতবারের রানার্সরা। কিন্তু তারপর টানা ৬টা ম্যাচ হেরে প্লে অফের দৌড়ে ক্রমশ পিছিয়ে পড়েছেন শ্রেয়স আইয়াররা। প্রথম দুই দলের মধ্যেও থাকতে পারবে না তারা। দিল্লি ক্যাপিটালস, রাজস্থান রয়্যালসও টিকে রয়েছে প্লে অফের দৌড়ে। সবমিলিয়ে, প্রত্যেকটা ম্যাচের পরই আমূল বদলে যাচ্ছে প্লে অফের অঙ্ক। আইপিএল ঘিরে বাড়ছে রোমাঞ্চ।
