ভোটপর্ব মিটেছে। একধাক্কায় গ্যাসের দাম প্রায় হাজার টাকা বাড়িয়েছে মোদি সরকার। একই পথে হেঁটে এবার পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়াতে পারে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা শুরু করেছে সরকার। সেক্ষেত্রে লিটার পিছু ৪ থেকে ৫ টাকা বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম। যদি তা হয়, সেক্ষেত্রে ৪ বছর পর জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে দেশে। একইভাবে বাড়তে পারে মধ্যবিত্তের রান্নার গ্যাসের দামও। সেক্ষেত্রে এক ধাক্কায় ৪০-৫০ টাকা দাম বাড়বে ১৪ লিটারের রান্নার গ্যাসের।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে তেল সংকট চরম আকার নিয়েছে। গুরুতর সেই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যাপকভাবে বাড়লেও যুদ্ধের আঁচ দেশবাসীর উপর আসতে দেয়নি সরকার। তবে ৫ রাজ্যের ভোটপর্ব মিটতেই এই বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে সরকার। সরকারি সূত্রকে উদ্ধৃত করে একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে প্রস্তাবিত মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
লিটার পিছু ৪ থেকে ৫ টাকা বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম। যদি তা হয়, সেক্ষেত্রে ৪ বছর পর জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে দেশে।
অপরিশোধিত তেলের দামে আকস্মিক বৃদ্ধির জেরে তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলোর (ওএমসি) উপর চাপ বাড়তে শুরু করেছে ব্যাপকভাবে। এতদিন ধরে বর্ধিত উৎপাদন খরচ নিজেরাই বহন করে আসছে ওএমসি। গ্রাহকদের উপর সেই ভার এতদিন চাপানো হয়নি। ফলে লাভের পরিমাণ ক্রমশ কমছে, যার জেরেই সরকারের উপর চাপ বাড়াতে শুরু করেছে সংস্থাগুলি। তবে তেলের দাম বাড়লে দেশে মুদ্রাস্ফীতির তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে এত প্রভাব যাতে ন্যূনতম থাকে সে বিষয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভোট মিটতেই জ্বালানির দাম বাড়ানো শুরু করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। প্রথম কোপটা এসেছে বাণিজ্যিক গ্যাসের উপর। ১০০-২০০ টাকা নয়, শুক্রবার একধাক্কায় সিলিন্ডারপিছু ৯৯৩ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম। এখানেই শেষ নয়, দাম বাড়ানো হয়েছে অটোর এলপিজিরও। একধাক্কায় ৬ টাকা ৪৪ পয়সা দাম বেড়েছে অটোর জ্বালানির। আশঙ্কা করা হচ্ছে এবার কোপ পড়তে পারে জ্বালানি তেল ও মধ্যবিত্তের রান্নার গ্যাসের উপর।
