shono
Advertisement
JP Nadda

'রাজনীতি চাই না, আলোচনায় রাজি', প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে রাহুলকে বিঁধলেন নাড্ডা

রাহুলকে বিঁধলেও নাড্ডার দাবি, এটা গোটা দেশের সমস্যা। এই পরিস্থিতিতে পরস্পরকে দোষারোপ না করে গঠনমূলক সমাধান হোক। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সরকার আলোচনায় বসতে রাজি।
Published By: Subhajit MandalPosted: 09:18 PM Jul 22, 2026Updated: 09:21 PM Jul 22, 2026

অহেতুক রাজনীতি নয়। প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে সংসদে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র। একে অপরকে দোষারোপ না করে এই ইস্যুর স্থায়ী সমাধানে বিরোধীদের পরামর্শও শুনতে চাইছে মোদি সরকার। দিল্লিতে বিজেপি দপ্তর থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে রাজনীতি করার অভিযোগে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে বিঁধলেন তিনি।

Advertisement

এদিন দুপুরেই সাংবাদিক সম্মেলন করে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, মোদি জমানায় প্রায় ১৫২টি প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। অথচ সরকার কোনও আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা করেনি। কাউকে জেলে পাঠায়নি। রাহুলের সেই অভিযোগের পালটা একাধিক উদাহরণ দিয়ে নাড্ডা দাবি করলেন, শুধু বিজেপি সরকারের আমলে নয়, প্রশ্নফাঁস হচ্ছে কংগ্রেস শাসনেও। হিমাচল প্রদেশ, কর্নাটক, পাঞ্জাব, ঝাড়খণ্ড, কর্নাটকের মতো বিরোধী শাসিত রাজ্যের উদাহরণ তুলে ধরে নাড্ডা দাবি করেন, ইন্ডিয়া জোটের দখলে থাকা বিভিন্ন রাজ্যেও একইভাবে প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে। এটা বৃহত্তর সমস্যা।

প্রাক্তন বিজেপি সভাপতির অভিযোগ, প্রশ্নফাঁস নিয়ে রাহুল গান্ধী অহেতুক রাজনীতি করছেন। তিনি পড়ুয়াদের কথা ভাবছেন না। শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতিসাধন তাঁর উদ্দেশ্য নয়। জেপি নাড্ডা বলছেন, "রাহুল গান্ধী বেছে বেছে কিছু উদাহরণ তুলে কেন আন্দোলন করছেন। সব ক্ষেত্রে প্রতিবাদ করেন না কেন?" কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, বিরোধী দলনেতা ছাত্রদের সামনে রেখে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছেন। পড়ুয়াদের উন্নতি তাঁর উদ্দেশ্যই নয়।

রাহুলকে বিঁধলেও নাড্ডার দাবি, এটা গোটা দেশের সমস্যা। এই পরিস্থিতি দোষারোপ না করে গঠনমূলক আলোচনা হোক। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সরকার আলোচনায় বসতে রাজি। সংসদে কখন কবে আলোচনা করতে চায় বিরোধীরা, সেটা স্পষ্ট করুক। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আহ্বান, "আসুন আমরা প্রশ্নফাঁস রুখতে কঠোর নীতি প্রণয়ণ করি। এটা যেমন সরকারের দায়িত্ব, তেমনই বিরোধীদেরও দায়িত্ব।" অর্থাৎ আলোচনা নিয়ে বিরোধীদের কোর্টেই বল ঠেলল কেন্দ্র। তাছাড়া এই ইস্যুতে সংসদে কোনওক্রমে আলোচনা শুরু করা গেলে তাতে আখেরে সরকারেরই লাভ হবে বলে মনে করছে গেরুয়া শিবির। কারণ সেক্ষেত্রে সরাসরি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার প্রশ্ন আসে না। তাছাড়া সংসদে বাগ্মিতায় অতীতে বহু ইস্যুতে বিরোধীদের ধরাশায়ী করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে মোদি সরকারের।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement