ফের বিপাকে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। প্রশ্নফাঁস বিরোধী আইন নিয়ে সংসদে আলোচনা চলাকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) কড়া ভাষায় আক্রমণ করতে গিয়ে রাহুল নাকি মাত্রা ছাড়িয়েছেন। এমনটাই দাবি বিজেপির। গেরুয়া শিবিরের তরফে অনুরাগ ঠাকুর রাহুলের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস দিয়েছেন।
অনুরাগের বক্তব্য, রাহুল গান্ধী সংসদে দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে এমন সব মন্তব্য করেছেন যা কিনা আপত্তিকর এবং অসম্মানজনক। সংসদের রুল ৩৫২ অনুযায়ী কোনও সদস্য সম্পর্কে ব্যক্তিগত কোনও মন্তব্য করতে চাইলে তাঁকে আগাম অভিযোগ সম্পর্কে জানাতে হয়। সতর্ক করতে হয়। কিন্তু রাহুল গান্ধী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কোনওরকম নোটিস না দিয়েই তাঁকে ব্যক্তিগত স্তরে আক্রমণ করেছেন। অসম্মানজনক মন্তব্য করেছেন। আগাম নোটিস না দেওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগটুকুও পাননি। অনুরাগ ঠাকুরের দাবি, ওই প্রিভিলেজ নোটিস গ্রহণ করে দরকারে সেটিকে প্রিভিলেজ কমিটিতে পাঠানো হোক।
বস্তুত কেন্দ্রের আনা প্রশ্নফাঁস সংশোধনী বিল নিয়ে আলোচনার সময় রাহুল গান্ধী রীতিমতো কড়া ভাষায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ শানান। পড়ুয়াদের উপর গুলি চালনার কথা কী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানতেন, জানলে সেটার দায় তাঁকে নিতে হবে। আর না জানলে ধরে নিতে হবে তিনি অযোগ্য। নিজের মন্ত্রকেই নিয়ন্ত্রণ নেই তাঁর। তিনি বলেন, ”তথাকথিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাহস হল না লোকসভায় এসে বসার।” বিরোধী দলনেতার দাবি ছিল, আন্দোলনকারীরা ‘অন্ধ ভক্ত’ হতে চায় না বলেই তারা সরকারের রোষে পড়েছে। অভিভাবকদের ভয় সত্ত্বেও বিজেপি-আরএসএসের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীরা পথে নেমেছেন।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে রাহুলের সেই অভিযোগকে সেভাবে গুরুত্ব দেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে কিরেন রিজিজু, অনুরাগ ঠাকুররা পালটা আসরে নামেন। অনুরাগের দাবি, বিরোধী দলনেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মাত্রাছাড়া আক্রমণ করে নিজের সীমা লঙ্ঘন করে ফেলেছেন। তাঁকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত।
