জিপিএস ট্র্যাকারে অবস্থান চিহ্নিত করে, সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের 'হাওয়াই হামলায়' ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলে ভুয়ো সংঘর্ষে ১৭ জন মাওবাদীকে খতম করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে সিপিআই (মাওবাদী)বিহার-ঝাড়খণ্ড স্পেশাল এরিয়া কমিটির তরফে মাও মুখপাত্র আজাদ অডিও বার্তার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিযোগ করেন। অবৈধ, অসাংবিধানিক, অঘোষিত উপায়ে মাওবাদী দমনে খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দেওয়ার মতো মারাত্মক অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে ওই অডিও বার্তার মাধ্যমে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার ডাক দিয়েছে সিপিআই (মাওবাদী)।
সোমবার মাওবাদী মুখপাত্র আজাদ অডিও বার্তায় জানিয়েছেন, "সিআরপিএফ ডিজি জ্ঞানেন্দ্রপ্রতাপ সিং গত ২০ জানুয়ারি হামলার কথা বলেছিলেন। ২১ জানুয়ারি থেকে সারান্ডার বলিবা, বাবুডেরা জঙ্গল এলাকায় সেনাবাহিনীর দু-তিনটি হেলিকপ্টারের সাহায্যে গুলি-বারুদ নিয়ে হাওয়াই হামলা চালানো হয়। জিপিএস ট্র্যাকারের ট্র্যাপে অবস্থান বুঝে খাদ্য সামগ্রীতে বিষ মিশিয়ে দেওয়া হয়।" কিন্তু তাদের খাবার কোথা থেকে গিয়েছে? কোথায় বিষ মেশানো হয়েছে? খাবারের সন্ধান কোথা থেকে মিলল? অডিও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অবশ্য তার উল্লেখ নেই।
সোমবার মাওবাদী মুখপাত্র আজাদ অডিও বার্তায় জানিয়েছেন, "সিআরপিএফ ডিজি জ্ঞানেন্দ্রপ্রতাপ সিং গত ২০ জানুয়ারি হামলার কথা বলেছিলেন। ২১ জানুয়ারি থেকে সারান্ডার বলিবা, বাবুডেরা জঙ্গল এলাকায় সেনাবাহিনীর দু-তিনটি হেলিকপ্টারের সাহায্যে গুলি-বারুদ নিয়ে হাওয়াই হামলা চালানো হয়। জিপিএস ট্র্যাকারের ট্র্যাপে অবস্থান বুঝে খাদ্য সামগ্রীতে বিষ মিশিয়ে দেওয়া হয়।"
মাও মুখপাত্রের কথায়, "এই অবৈধ, অসাংবিধানিক, অঘোষিত এই হামলায় ওই এলাকার জঙ্গল সন্নিহিত মানুষজন গ্রাম ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। কোবরা ২০৯, ঝাড়খন্ড জাগুয়ার ও ঝাড়খণ্ড পুলিশ সারান্ডার ছোটনাগরা থানার কুমিডি এলাকায় হামলা চালায়।" ওই হামলায় নিহত কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পতিরাম মাঝি ওরফে অনলদা বিহার-ঝাড়খণ্ড স্পেশাল এরিয়া কমিটির সচিব ছিলেন। নিহত লালচন্দ্র হেমব্রম ওরফে আনমোল ওড়িশা রাজ্য কমিটির সদস্য ছিলেন বলে ওই অডিও বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।'' আজাদ আরও বলেন, "ভুয়ো সংঘর্ষে হত্যা করা হয়েছে। এই বর্বরতার তীব্র নিন্দা করছি আমরা।" ওই অডিও বার্তার মধ্য দিয়েই ১৭ জন 'শহিদ'কে যে তাঁরা শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাচ্ছেন, তাও উল্লেখ করেছেন।
