shono
Advertisement
Sudip Banerjee

আরও নিঃসঙ্গ মমতা! এবার 'বিদ্রোহী' শিবিরে সুদীপ! ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠকে তুঙ্গে জল্পনা

শোনা যাচ্ছে, শনিবার তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় সুদীপকে নিয়ে ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে যান।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 02:51 PM Jun 13, 2026Updated: 03:54 PM Jun 13, 2026

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও নিঃসঙ্গ করে এবার বিদ্রোহী শিবিরে দীর্ঘকালের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়! শনিবার দিল্লিতে বিজেপির অন্যতম শীর্ষনেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে গিয়ে তাঁর বৈঠকের পর তুঙ্গে জল্পনা। শোনা যাচ্ছে, এদিন সাংসদ শতাব্দী রায় তাঁকে নিয়ে ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে যান। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা করেন তাঁরা। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরের সাংসদ সংখ্যা হতে চলেছে ২০।

Advertisement

শোনা গিয়েছে, এদিন শতাব্দী রায় নিজের গাড়িতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে যান ৯, মতিলাল নেহরু রোডে, বিজেপি পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে। সূত্রের আরও খবর, এদিন প্রাথমিক কথাবার্তার পর রবিবার সুদীপের শিবির বদল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপর সোমবার বিদ্রোহী সাংসদরা সকলে মিলে যাবেন সংসদে। স্পিকার তাঁদের নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেন, তা জানা যাবে।

ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের চূড়ান্ত ভরাডুবির পরই দল কার্যত ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। একদিকে, ৮০ জন বিধায়কের সিংহভাগ দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে আপত্তি তুলে নিজেদের পৃথক করে নিয়েছেন। বিধানসভায় নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিয়ে 'আসল তৃণমূল' বলে বিরোধী দলের তকমা প্রায় ছিনিয়ে নিয়েছে। যদিও এনিয়ে আইনি লড়াই চলছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের সংসদীয় দলেও বিরাট ভাঙন। ২৮ জনের মধ্যে এখন ১৯ জন সাংসদ এনডিএ-কে সমর্থনের কথা জানিয়ে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন।এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে চলেছে কলকাতা উত্তরের দীর্ঘদিনের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি তৃণমূলনেত্রীর ঘনিষ্ঠ বৃত্তের অন্যতম ভরসাযোগ্য বলে পরিচিত।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তৃণমূলের সুসম্পর্ক দীর্ঘদিনের। চিটফান্ড মামলায় অভিযোগ ওঠায় বেশ কয়েকবছর সুদীপকে কাটাতে হয়েছিল জেলে। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর সসম্মানে তিনি ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে নিজের দাপট দেখান। পরপর নির্বাচনে কলকাতা উত্তর সংসদীয় কেন্দ্রটি ধরে রাখতে সক্ষম হন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে লোকসভার দলনেতার পদ দিয়েছিলেন মমতা। এছাড়া শোনা যায়, দিল্লিতে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তৃণমূলের সমন্বয় সাধনের কাজটি করতেন সুদীপই।

শনিবার দিল্লিতে সুদীপের গতিবিধি দেখে অন্তত সেই সম্ভাবনাই ৯৯ শতাংশ। শোনা গিয়েছে, এদিন শতাব্দী রায় নিজের গাড়িতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে যান ৯, মতিলাল নেহরু রোডে, বিজেপি পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে। সূত্রের আরও খবর, এদিন প্রাথমিক কথাবার্তার পর রবিবার সুদীপের শিবির বদল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপর সোমবার বিদ্রোহী সাংসদরা সকলে মিলে যাবেন সংসদে। স্পিকার তাঁদের নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেন, তা জানা যাবে।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তৃণমূলের সুসম্পর্ক দীর্ঘদিনের। চিটফান্ড মামলায় অভিযোগ ওঠায় বেশ কয়েকবছর সুদীপকে কাটাতে হয়েছিল জেলে। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর সসম্মানে তিনি ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে নিজের দাপট দেখান। পরপর নির্বাচনে কলকাতা উত্তর সংসদীয় কেন্দ্রটি ধরে রাখতে সক্ষম হন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে লোকসভার দলনেতার পদ দিয়েছিলেন মমতা। এছাড়া শোনা যায়, দিল্লিতে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তৃণমূলের সমন্বয় সাধনের কাজটি করতেন সুদীপই। কিন্তু সম্প্রতি দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সুদীপের প্রতি অসন্তোষ, ক্ষোভের প্রতিফলন দেখা যায়। তাঁর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ উঠেছিল দলীয় কর্মীদেরই তরফে। সেসবের জেরেই কি তিনি বিক্ষুব্ধ হয়ে মমতার সঙ্গ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন?

তাঁর এই ভূমিকা নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া, ''এঁদের (সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়) মমতাদি মাথায় তুলে রেখেছিলেন। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তিনি কেঁদেকেঁদে বলতেন যে তাঁকে যাতে উত্তর কলকাতার জেলা সভাপতি করে দেওয়া হোক। আমি বলেছিলাম, মানুষ হিসেবে তাপস রায় বেশি ভালো। তখন আমাকে দল থেকে লাথি-ঝাঁটা খেতে হয়েছিল। এখন বুঝুন কে ভালো। এবার থেকে তো তাঁর সঙ্গে একটা ভ্রাম্যমাণ বিউটি পার্লারও পাওয়া যাবে।''

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement