Advertisement

‘২০৫০ সালের মধ্যে অসম দখল করবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা’, বিস্ফোরক দাবি হিমন্ত বিশ্বশর্মার

05:51 PM Oct 02, 2021 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০৫০ সালের মধ্যেই অসম (Assam) দখলের নীল নকশা বানিয়ে ফেলেছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা। শনিবার এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। কয়েকদিন আগেই অসমের দরং জেলায় অবৈধ বসতি উচ্ছেদ করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়েছিল অসম। সেই অশান্তির নেপথ্যে মুসলিম মৌলবাদী সংগঠন ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’কে দায়ী করেছিলেন হিমন্ত। এবার তাঁকেই সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে ওই সংগঠনের তরফে দাবি করা হল, চাইলে মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের ডাক দিতে পারেন। তারা প্রস্তুত রয়েছে।

Advertisement

শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হিমন্ত জানান, গত সপ্তাহে দরং জেলার ঘটনার পিছনে হাত ছিল পিএফআইয়ের। গরুখুঁটিতে যে প্যাটার্ন দেখা যাচ্ছে তা পপুলার ফ্রন্টের কাজের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। যদিও তিনি মুসলিম হিসেবে ওই সংগঠনকে চিহ্নিত করতে চান না বলেও জানান হিমন্ত। তাঁর কথায়, ”আমরা কখনওই ‘মুসলিম’ শব্দটা এক্ষেত্রে আমরা ব্যবহার করতে চাই না। কেননা অসমের মুসলিমরা ওদের সঙ্গে যুক্ত নয়। এটা কেবল একটা বিক্ষিপ্ত শ্রেণির চিন্তাধারা।” সেই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ইতিমধ্যেই গরুখুঁটিতে ১০ হাজার অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়েছে।

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1630720090-3');});

[আরও পড়ুন:‘মাঝে মাঝে সমালোচকদের মিস করি’, সমালোচনা প্রসঙ্গে অকপট প্রধানমন্ত্রী

তাঁর এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’র সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ ইলিয়াস। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, আরএসএস ভয় পেয়েছে। তাই যারা ন্যায়ের দাবি তুলছে, তাদের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে তারা। তাঁর কথায়, ”আরএসএস ও বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বলার কেউ নেই। যখনই আমরা মানুষের জন্য কথা বলতে চেয়েছি ওরা এই ধরনের প্রপোগান্ডা শুরু করে।”

উল্লেখ্য, অসম পুলিশ এর আগে জানিয়েছে, দরংয়ের ঘটনায় যে মামলা রুজু করা হয়েছে তাতে অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে পিএফআইয়ের নাম রয়েছে। শনিবার হিমন্ত জানান, তাঁদের কাছে এব্যাপারে প্রমাণ রয়েছে। যদিও পিএফআই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

[আরও পড়ুন:‘গডসে জিন্দাবাদ’ বলা মানে নির্লজ্জভাবে দেশকে অপমান করা, গর্জে উঠলেন বিজেপির বরুণ গান্ধী]

Advertisement
Next