পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সংকটে মুখে পড়েছে ভারত, পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিক্ষেত্রও। যেহেতু হরমুজ অবরুদ্ধ থাকায় জ্বালানির পাশাপাশি সার আমদানি ও উৎপাদন প্রভাবিত হচ্ছে। সোমবার সংসদের বক্তব্য একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এই পরিস্থিতিতে সবরকম ভাবে কৃষকদের পাশে আছে সরকার, আশ্বাস দিলেন তিনি। এছাড়াও সংকট মোকাবিলায় একগুচ্ছ পদক্ষেপের কথাও জানান মোদি।
প্রাধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ইরান যুদ্ধের পর্যালোচনা বৈঠক ছিল গতকাল। তখনই জ্বালানি তেল, গ্যাসের পাশাপাশি বিদ্যুৎ এবং সার আমদানি ও উৎপাদন নিয়ে আলোচনা হয়। বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত পদক্ষেপের বিষয়ে কথা হয়। এদিন সংসদের ভাষণে কৃষিক্ষেত্র নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোদি বলেন, সকলেই গ্যাস নিয়ে ব্যস্ত, যদিও যুদ্ধের জেরে ভারতের কৃষিক্ষেত্র প্রভাব পড়তে পারে। এর পরেই প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন, কৃষকদের সবরকম ভাবে সাহায্য় করবে সরকার। উল্লেখ্য, ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান সার আমদানিকারক দেশ। রাশিয়া, সৌদি আরব, মরক্কো এবং চিন থেকে ভারতে আসে রাসায়নিক সার।
এদিন মোদির ভাষণে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। তিনি বলেন, বর্তমান অবস্থায় রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে চাষিদের প্রাকৃতিক চাষে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। একই কারণে দেশের কৃষকদের ২২ লক্ষ সোলার পাম্প বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও আমদানির প্রতি নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই সার উৎপাদনের বাড়ানোর বিষয়ে পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলেও জানান মোদি। এইসঙ্গে নিশ্চিত করেন যে ভারতের খাদ্যশস্যের ভাণ্ডারে টান পড়েনি। বতর্মানে যথেষ্ট পরিমান খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এছাড়াও পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে সেখানকার সিবিএসই বোর্ডের স্কুলগুলি যে পরীক্ষা বাতিল করেছে, তাও জানান প্রধানমন্ত্রী।
