বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২৬ সালে এটাই প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক। এই বৈঠকের দিকে চোখ থাকবে ওয়াকিবহাল মহলের। মনে করা হচ্ছে, দপ্তরের কাজের খতিয়ানের পাশাপাশি সাম্প্রতিক নীতিগত সিদ্ধান্ত, তাদের ফলাফল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রাধান্য পাবে বৈঠকে।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের বিধানসভা নির্বাচনে দুরন্ত ফল করেছে গেরুয়া শিবির। পাশাপাশি এনডিএ সরকারি গঠিত হয়েছে পুদুচেরিতেও। এই সাফল্যের দিকটিও বৈঠকে থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাছাড়া পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে বৈঠকে। সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের সূত্রে দাবি করা হয়েছে, সব মন্ত্রী, স্বাধীন ক্ষমতা সম্পন্ন প্রতিমন্ত্রীরা সকলকেই এই বৈঠকে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৭ সালের একাধিক রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৯-এর লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে বিজেপি নেতৃত্ব এখন থেকেই সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের প্রস্তুতি শুরু করেছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ৭২ জন সদস্য রয়েছেন। যদিও সাংবিধানিকভাবে আরও কয়েকজন মন্ত্রী নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। সেই কারণেই সম্ভাব্য রদবদল নিয়ে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। সূত্রের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও দক্ষিণ ভারতের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে নতুন মুখ আনা হতে পারে। সেদিকেও চোখ থাকবে বিশ্লেষকদের।
প্রসঙ্গত, সদ্যই পাঁচ দেশের সফর সেরে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৫ থেকে ২০ মে পর্যন্ত চলা এই সফরে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ইটালিতে যান। এই সফরের মূল লক্ষ্যই ছিল কৌশলগত অংশীদারিত্ব, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর ও আলোচনা। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ সফর থেকে ফিরেই দিল্লির সেবা তীর্থে মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী।
