রবিবার দিল্লি মেট্রোর দু'টি নতুন করিডোরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এইসঙ্গে সবুজ পতাকা নেড়ে দেশের প্রথম 'রিং মোট্রো' চালু করলেন তিনি। নতুন দু'টি মেট্রো রেল করিডর হল মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর (গোলাপি লাইন) করিডোর, যেটি প্রায় ১২.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ। অন্যটি দীপালি চক-মজলিস পার্ক (ম্যাজেন্টা লাইন) করিডোর। যেটি প্রায় ৯.৯ কিলোমিটার বিস্তৃত। এছাড়াও এদিন একাধিক পরিকাঠামো এবং আবাসন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই খাতে খরচ হবে ৩৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। অন্য দিকে ১৮ হাজার ৩০০ কোটি টাকা খরচের আরও দু'টি মেট্রো প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মোদি।
রিং মোট্রো:
এদিন মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর (গোলাপী লাইন) করিডোর এবং দীপালি চক-মজলিস পার্ক (ম্যাজেন্টা লাইন) করিডোর সংযুক্ত হওয়ায় রাজধানীতে পিঙ্ক লাইনের বিস্তৃতি গড়াল ৭১.৫৬ কিলোমিটার। এর ফলে গোটা রাজধানীকে চক্রাকারে জুড়ে দিল মেট্রো রেল। এই কারণেই 'রিং (চক্র) মেট্রো' বলা হচ্ছে। উল্লেখ্য, মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর করিডোর বরাবর স্টেশনগুলির মধ্যে রয়েছে বুরারি, ঝারোদা মাজরা, জগতপুর-ওয়াজিরাবাদ, সোরঘাট, নানকসার-সোনিয়া বিহার, খাজুরি খাস, ভজনপুরা এবং মৌজপুর-বাবরপুরের আগে যমুনা বিহার।
এই করিডোরে যমুনা নদীর উপর একটি নতুন সেতু এবং একটি দ্বিতল 'ভায়াডাক্ট' রয়েছে। যা একটি মেট্রো লাইন এবং একটি সড়কপথের উড়ালপুল উভয়কেই বহন করছে। অন্যদিকে দীপালি চক-মজলিস পার্ক করিডোর ম্যাজেন্টা লাইনকে প্রসারিত করেছে। ফলে এই লাইনের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৪৯ কিলোমিটার দাঁড়াল। এই অংশটি বোটানিক্যাল গার্ডেন-কৃষ্ণ পার্ক এক্সটেনশন করিডোরের একটি সম্প্রসারণ। এতে মধুবন চক, উত্তর পিতমপুরা-প্রশান্ত বিহার, হায়দারপুর গ্রাম, হায়দারপুর বদলি মোড় এবং ভালস্বার মতো সাতটি উঁচু স্টেশন রয়েছে।
মনে করা হচ্ছে মেট্রোর নতুন সংযোগে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিল্লির মানুষ উপকৃত হবেন। এর মধ্যে রয়েছে বুরারি, জগৎপুর-ওয়াজিরাবাদ, খাজুরি খাস, ভজনপুরা, যমুনা বিহার এবং আশেপাশের অঞ্চল।
