আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে ইজরায়েল সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত অংশিদারিত্ব জোরাল করতে মোদির ইজরায়েল সফরের বিষয়টি ইঙ্গিত করেছেন ভারতে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার। ইরানে বিদ্রোহ-সহ একাধিক কারণে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা চলছে। গাজা পুনর্গঠনে শান্তি কমিটি গড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা, বাণিজ্য-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ক তাৎপর্যপূর্ণ।
ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত নিশ্চিত করেছেন যে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এমনকী মোদির সফর নিয়ে সরকারি প্রস্তুত শুরু হয়েছে তেল আবিবে। আজারের বক্তব্য, "আশা করছি যে আমরা শীঘ্রই তাঁর (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি) সঙ্গে দেখা করব। নিশ্চিত করছি যে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি তাঁর সঙ্গে দেখা হবে আমাদের।"
গত কয়েক মাসে দু'পক্ষের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উভয় দেশে সফর করেছেন। এদের মধ্যে নয়াদিল্লির পক্ষ রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শংকর এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল প্রমুখ। উভয় পক্ষের মধ্যে সম্পর্কের গুরুত্ব, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সন্ত্রাসবাদ দমন, কৃষি, জল ব্যবস্থাপনা, সেমিকন্ডাক্টর এবং উচ্চ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আলোচনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ক বহুদিন ধরে মজবুত। বিশেষত প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির পর বদলে গিয়েছে বৈশ্বীক কূটনীতি। গতকালই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মূলত ট্রাম্পকে জবাব দিতেই এই সিদ্ধান্ত দিল্লি ও ইউরোপের। অন্যদিকের ইজরায়েলের বন্ধু আমেরিকা। সেই দেশে মোদির সফর তাৎপর্যপূর্ণ।
