Advertisement

‘কৃষকদের উপর পরিকল্পিত হামলা’, লখিমপুর খেরি যাওয়ার আগে কেন্দ্রকে তোপ রাহুলের

02:43 PM Oct 06, 2021 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কৃষকমৃত্যুকে কেন্দ্র করে এখনও উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) লখিমপুর খেরি এলাকা। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাইছেন বিরোধীরা। কিন্তু যোগী সরকারের অনুমতি মেলেনি। বুধবার সেখানে যাওয়ার কথা ছিল রাহুল গান্ধীর। তাঁকেও যাওয়ার অনুমতি দিল না যোগী প্রশাসন।

Advertisement

কংগ্রেসের (Congress) তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার লখিমপুর খেরি যাওয়ার কথা ছিল রাহুল গান্ধী, শচীন পাইলট, চরণজিৎ সিং চান্নি, ভূপেশ বাঘেল এবং কেসি বেণুগোপালের। অনুমতি চেয়ে যোগী আদিত্যনাথ প্রশাসনকে চিঠি দেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা কেসি বেণুগোপাল। চিঠিতে প্রিয়াঙ্কার গ্রেপ্তারি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলার দোহাই দিয়ে তাঁদের অনুমতি দেয়নি যোগী প্রশাসন। যদিও অনুমতি না পেলেও আজ লখিমপুর খেড়িতে যাচ্ছেন রাহুল। সঙ্গে থাকবেন দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লির সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে।

এদিনের সাংবাদিক বৈঠক থেকে কেন্দ্রকে তোপ দাগেন রাহুল। তাঁর কথায়, “কৃষকদের উপর পরিকল্পিত হামলা এটা। তাদের জিপ দিয়ে পিষে দিচ্ছে মোদি সরকার। আমার পরিবারের উপর জুলুম করলেও কৃষকদের নিয়ে আমরা কথা বলবই।”

 

[আরও পড়ুন: COVID-19: উৎসবের মরশুমেও অনেকটা নিয়ন্ত্রণে করোনা, ২০৩ দিনে সর্বনিম্ন দেশের অ্যাকটিভ কেস]

প্রসঙ্গত, রবিবার উত্তরপ্রদেশে বিক্ষোভরত কৃষকদের উপরে গাড়ি চালিয়ে পিষে মারার মতো ভয়ংকর ঘটনা ঘটে। ৮ কৃষকের মৃত্যুতে মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাম উঠে আসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলে আশিসের। তবে রবিবারের ওই ঘটনার পর থেকে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয় যোগীরাজ্যের লখিমপুর খেরি। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় পুলিশের তিনটি গাড়িতে। এদিকে এক জাতীয়স্তরের সংবাদমাধ্যমের দাবি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গাড়ির মালিকানার কথা মেনে নিয়েছেন। তবে ঘটনার সময় তাঁর ছেলে আশিস ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলেই দাবি করেছেন অজয় মিশ্র।

ঘটনাস্থলে যেতে এবং নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বিরোধীদের। যদিও সেই বাধা ভেঙে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দোলা সেন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুস্মিতা দেব, প্রতিমা মণ্ডল ও আবিররঞ্জন বিশ্বাস। পুলিশের বাধা সত্ত্বেও জেলাশাসকের সহায়তায় ঘটনাস্থলে পৌঁছন ৫ তৃণমূল সাংসদ। নিহত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সান্ত্বনা দেন তাঁরা।

[আরও পড়ুন: ‘লখিমপুর কাণ্ডে গাড়ির মালিককে গ্রেপ্তার করা উচিত’, ‘কংগ্রেসের সুর’ বরুণ গান্ধীর গলায়]

Advertisement
Next