পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় দেশে গ্যাসের জোগানে টান পড়ছে। এর মধ্যেই বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেল ব্যারেল পিছু ১১০ ডলার ছাপিয়ে গিয়েছে। এর জেরে রক্তাক্ত শেয়ার বাজার (Stock Market Crash)। শুক্রবার সকালে ১,১৫০ পয়েন্ট পতন হল সেনসেক্সের। পাল্লা দিয়ে নিফটি পড়ল ৫০ পয়েন্ট। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলিতে হামলা স্থগিত করলেও ইরান যুদ্ধ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। তার প্রভাব পড়ছে দালাল স্ট্রিটে।
শুক্রবার সকাল এগারোটার খবর, ১,১৫০ পয়েন্ট পড়ে সেনসেক্স পৌঁছেছে ৭৪, ১০০ পয়েন্টে। অন্যদিকে ৫০ পয়েন্টের পতনে নিফটি ৩৫০ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে। মনে করা হচ্ছে, যুদ্ধের গতপ্রকৃতি নিয়ে অস্পষ্টতা তৈরি হওয়ায় কমছে বিনিয়োগ। তার জেরেই শেয়ারে বাজার পতনের মুখে। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, একদিকে যখন ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার কথা বলছেন। যা পাকিস্তানের মাটিতে হবে বলে খবর, তার মধ্যেই ইরান হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েলে। এই অবস্থায় পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সেই অস্থিরতার প্রভাব পড়ছে অর্থনীতিতে।
অন্যদিকে হরমুজ বন্ধ থাকায়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ায় অশোধিত তেলের দাম বেড়ে চলেছে। এর প্রভাব পড়ছে ভারতীয় অর্থনীতির অন্যতম ক্ষেত্র দালাল স্ট্রিটে। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শক্রবারই পেট্রল ও ডিজেলের উপর থেকে আবগারি শুল্ক প্রতি লিটারে ১০ টাকা করে কমিয়েছে কেন্দ্র। পাশাপাশি জ্বালানি আমদানি স্বাভাবিক রাখতে অপারেশন 'উর্জা সুরক্ষা'য় হরমুজে পাঁচটি রণতরী পাঠিয়েছে ভারত। অন্যদিকে ইরান আশ্বাস দিয়েছে, বন্ধু ভারতের জন্য বিশ্বের তেলের ধমনী খোলা থাকবে। কতদিনে পরিস্থিতি বাস্তবেই বদলায় সেটাই এখন দেখার।
