দুর্নীতি মামলাকে পিছনে ফেলে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি শুরু করেছিল অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে তার আগেই আম আদমি পার্টির বুকে কার্যত ছুরি বসিয়েছে বিজেপি। রাজ্যসভায় আপের ১০ সাংসদের মধ্যে ৭ জনই যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। গেরুয়া শিবিরের এই দলবদলের রাজনীতির বিরুদ্ধে শনিবার ফুঁসে উঠলেন শিবসেনা (উদ্ধব) সাংসদ সঞ্জয় রাউত। বিজেপিকে মহাভারতের রাক্ষস 'বকাসুরে'র সঙ্গে তুলনা করলেন তিনি।
শনিবার বিজেপিকে নিশানায় নিয়ে সঞ্জয় রাউত বলেন, ''মহাভারতে এক রাক্ষস ছিল, যার নাম বকাসুর। এই রাক্ষসের খিদে কখনও মিটত না। বিজেপি আজ বকাসুরের পার্টিতে পরিণত হয়েছে। যে সবকিছু গিলে নেয়, সব খেয়েও এর খিদে মেটে না।" একইসঙ্গে তিনি বলেন, "রাঘব চাড্ডার মতো ৭ জন নরকতুল্য ওই দলে যোগ দিয়েছেন। আমাদের অবশ্য কোনও আফসোস নেই। ওনারা শিঘ্রই বুঝে যাবেন নরক ঠিক কেমন হয়। বিরোধীরা কখনও দুর্বল হবে না। এই যে ৬-৭ জন লোক বিজেপিতে গিয়েছেন এঁরা জননেতা নন, এঁরা সোশাল মিডিয়ার পেজ থ্রি নেতা, এর বেশি কিছু নয়।"
সঞ্জয় রাউত বলেন, ''মহাভারতে এক রাক্ষস ছিল, যার নাম বকাসুর। এই রাক্ষসের খিদে কখনও মিটত না। বিজেপি আজ বকাসুরের পার্টিতে পরিণত হয়েছে। যে সবকিছু গিলে নেয়, সব খেয়েও এর খিদে মেটে না।"
বিজেপিকে নিশানায় নিয়ে সঞ্জয় আরও বলেন, "বিজেপি কী ধরনের রাজনীতি করছে তা সবাই জানে। এক কথায়, তাদের রাজনীতি নির্লজ্জ। কোনও লজ্জা নেই এদের। রাঘব চাড্ডার মতো লোকেরাই গতকাল পর্যন্ত আমাদের বন্ধু ছিল এবং প্রকাশ্যে বলত বিজেপি গুন্ডা, প্রতারক, দুর্নীতিবাজদের দল। আর আজ, সেই লোকেরাই দলে দলে ওখানে যোগ দিয়েছে।" শিবসেনা (উদ্ধব) সাংসদ আরও বলেন, ওই ৭ সাংসদকে রাজ্যসভায় অযোগ্য ঘোষণার দাবিতে চেয়ারম্যানকে চিঠি লিখবেন তিনি।
উল্লেখ্য, যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গতকাল বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন রাঘব চাড্ডা। তাঁর সঙ্গেই বিজেপিতে গিয়েছেন আম আদমি পার্টির আরও ছয় নেতা। রাঘব জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে স্বাতী মালিওয়াল, হরভজন সিং, অশোক মিত্তল, সন্দীপ পাঠক, রাজিন্দর গুপ্তা, বিক্রম সাহানিও গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাচ্ছেন। যার অর্থ আপের মোট ১০ জন রাজ্যসভার সাংসদের মধ্যে সাতজনই এখন বিজেপিতে।
