Advertisement

সামনে বড় লড়াই, বিজেপিকে হারাতে জোট বাঁধতে পারে Congress-TMC!

01:11 PM Jul 25, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শত্রুর শত্রু বন্ধুই হয়। এই তত্ত্বেই এবার বিজেপিকে হারাতে কাছাকাছি আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে Congress এবং TMC। দিল্লিতে সোনিয়া-মমতার সম্ভাব্য বৈঠক অন্তত সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। শুধু এই বৈঠক নয়, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের অভাবনীয় সাফল্যের পর থেকেই নরম হওয়া শুরু করেছিল কংগ্রেস। এবার মমতার তরফেও কংগ্রেসের প্রতি মনোভাব বদলের ইঙ্গিত মেলা শুরু করেছে।

Advertisement

বিপুল জনসমর্থন নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য বাংলায় ক্ষমতায় ফেরার পর তৃণমূল সম্পর্কে প্রথম সুর নরম করতে দেখা যায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে (Adhir Ranjan Chowdhury)। ভবানীপুর আসনের উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে প্রার্থী দিতে চান না বলে প্রকাশ্যেই জানান। পরবর্তীক্ষেত্রে মমতার পাশে দাঁড়ান পি চিদম্বরম, দিগ্বিজয় সিংয়ের মতো কংগ্রেসের শীর্ষনেতৃত্ব। একুশে জুলাইয়ের ভারচুয়াল বৈঠকে দিল্লিতে হাজির হন কংগ্রেসের এই দুই শীর্ষ নেতা। গান্ধী পরিবারের নির্দেশেই মমতার বক্তব্য শুনতে সেদিন এই দু’জন হাজির হন বলে কংগ্রেসের অন্দরে জল্পনা। এরপর লোকসভার চলতি অধিবেশনে তৃণমূল সংসদীয় দলের সঙ্গে কংগ্রেস নেতৃত্বের বোঝাপড়াও বেশ নজর কেড়েছে রাজনীতির কারবারিদের। সূত্রের খবর, সরাসরি না হলেও সংসদে বিভিন্ন ইস্যুতে কংগ্রেসের সঙ্গে বোঝাপড়া করেই চলছে তৃণমূল। পেগাসাস (Pegasus) ইস্যুতে সরকারকে আক্রমণ করার সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি রাহুল গান্ধীর নামও নিচ্ছে ঘাসফুল শিবির। আবার কংগ্রেসের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে আলাদা করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পেগাসাস টার্গেট করার প্রতিবাদ করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: ‘মোদির বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখতে চাই’, বলছেন TMC’র রাজ্যসভার প্রার্থী Jawhar Sircar]

তৃণমূল এবং কংগ্রেসের কাছাকাছি আসার জল্পনা আরও বাড়ছে সোনিয়া গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্ভাব্য বৈঠককে কেন্দ্র করে। শোনা যাচ্ছে, সেই বৈঠকেই সম্ভাব্য জোট নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা সেরে ফেলতে পারেন দুই নেত্রী। কংগ্রেস এবং তৃণমূলের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করতে পারেন প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। আসলে, প্রশান্ত কিশোর নিজে খুব ভাল করেই জানেন, বিজেপিকে হারাতে হলে যে কোনও জোটে কংগ্রেসকে প্রয়োজন। সেকথা মমতাকেও বুঝিয়েছেন তিনি। আর তৃণমূল নেত্রী চব্বিশের লড়াইয়ে বিজেপিকে যে কোনওভাবে সরাতে চান। আর সেই বৃহত্তর স্বার্থে ছোটখাট ব্যক্তিগত স্বার্থ বিসর্জন দিতেও পিছপা হবেন না তিনি। কংগ্রেসের অবস্থানও খানিকটা সেরকমই। এমনিতে এরাজ্যে বামেদের সঙ্গে জোট করেও সর্বস্ব খোয়াতে হয়েছে তাঁদের। এরপর তৃণমূলের সঙ্গে জোট হলেও আসন সমঝোতা নিয়ে দরাদরির জায়গায় তাঁরা নেই। তা সত্বেও বিজেপিকে হারানোর স্বার্থে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বাঁধতে প্রস্তুত হচ্ছে হাত শিবির। বঙ্গে TMC এবং কংগ্রেসের মূল বাঁধা যিনি, সেই অধীর চৌধুরীও সুর অনেক নরম করেছেন। তিনিও নাকি ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়ে দিয়েছেন, হাই কম্যাণ্ড চাইলে তৃণমূলের সঙ্গে যেতে তাঁর আপত্তি নেই।

Advertisement
Next