দেশজুড়ে মেডিক্যাল স্নাতকোত্তর আসনের ঘাটতি মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। নিট স্নাতকোত্তর ২০২৫ পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শ্রেণির প্রার্থীদের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণকারী পারসেন্টাইল অর্থাৎ নম্বরে শতকরা হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। যা নিয়ে মামলাও হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।
এ বিষয়ে কেন্দ্রের জবাব তলব করেছে শীর্ষ আদালত। তার মধ্যেই জানা গেল, ৮০০ নম্বরের মধ্যে-১২ পেয়েও স্নাতকোত্তর মেডিক্যাল পড়ার সুযোগ পেয়েছেন এক পড়ুয়া। তিনি ফিজিওলজি বা শারীরবিদ্যা বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তৃতীয় রাউন্ড কাউন্সেলিংয়ের পর এই তথ্য সামনে এসেছে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের ফলে ডাক্তারি পঠনের মানের সঙ্গে আপস করা হয়েছে বলে অভিযোগ নানা মহলের।
সূত্রের খবর, ওই পড়ুয়ার নিট স্নাতকোত্তরে র্যাঙ্ক ছিল ২,৩০,০৮৭। কিন্তু কাউন্সেলিংয়ের পর চেন্নাইয়ের এসিএস মেডিক্যাল কলেজে ওবিসি কোটায় ফিজিওলজিতে এমডি পড়ার সুযোগ পেয়েছেন। শুধু ওই পড়ুয়া নন। -৮ পেয়ে হলদয়োনির সরকারি মেডিক্যাল কলেজে এসটি কোটায় বায়োকেমিস্ট্রিতে এমডি পড়তে ভর্তি হয়েছেন আর একজন। পুণের সিমবায়োসিস মেডিক্যাল কলেজ ফর উওম্যানে বায়োকেমিস্ট্রি নিয়েই এমডি পড়ছেন আরও এক পড়ুয়া। যাঁর প্রাপ্ত নম্বর-৫। তার থেকেও চাঞ্চল্যকর, ৮০০-র মধ্যে মাত্র চার নম্বর পেয়ে রোহতকের পিজিআইএমএস-এ অত্যন্ত দুর্লভ অস্থিচিকিৎসা বা অর্থোপেডিক্সে এমএস করার সুযোগ পেয়েছেন আর একজন। যিনি ওবিসি এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতার দুটো বিভাগে সংরক্ষণের সুযোগ পেয়েছেন।
সূত্রের দাবি, চলতি সপ্তাহে বিভিন্ন নামীদামি সরকারি-বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে শেষ দিকের র্যাঙ্ক থেকে ২০ জন ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। যাঁদের র্যাঙ্ক ছিল ২,২৮,৩৩০ (৪১ নম্বর) থেকে ২,৩০,০৮৭ (-৮)। মূলত, অ্যানাটমি, ফিজিওলজি, বায়োকেমিস্ট্রি মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে এই ভর্তি হয়েছে। মাত্র দু'টি ভর্তি হয়েছে অর্থোপেডিক্স এবং জেনারেল মেডিসিনে। দু'টি ক্ষেত্রেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতা এবং অনাবাসী ভারতীয় কোটা কাজে লাগানো হয়েছে।
