মাওবাদী মুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে আরও একধাপ এগিয়ে গেল শাহী মন্ত্রক। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদীদের শূন্য করে দিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নির্দেশে কয়েকটি জেলায় বিশেষ অপারেশন চলছে। তাতেই এল সাফল্য। সূত্রের খবর, তেলেঙ্গানা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন সিপিআই(মাওবাদী) সাধারণ সম্পাদক দেবুজি ওরফে টি তিরুপতি এবং আরেক শীর্ষ নেতা রাজা রেড্ডি। সেইসঙ্গে আরও ১৪ জন মাওবাদী নেতা আত্মসমর্পণ ((Maoist Leader Surrender)) করেছে। জানা যাচ্ছে, দেবুজির মাথার দাম ছিল ২৫ লক্ষ টাকা। সবমিলিয়ে রবিবার সকালে ১৬ মাওবাদীর ধরা দেওয়া বড় সাফল্য নিঃসন্দেহে। বিশেষত দেবুজির আত্মসমর্পণ।
সূত্রের খবর, তেলেঙ্গানা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন সিপিআই(মাওবাদী) সাধারণ সম্পাদক দেবুজি ওরফে টি তিরুপতি এবং আরেক শীর্ষ নেতা রাজা রেড্ডি। সেইসঙ্গে আরও ১৪ জন মাওবাদী নেতা আত্মসমর্পণ করেছে। জানা যাচ্ছে, দেবুজির মাথার দাম ছিল ২৫ লক্ষ টাকা।
দ্বিতীয় মোদি সরকারের আমলে দেশে মাওবাদী আন্দোলন অনেকটাই ফিকে। তাদের ডেরায় যৌথবাহিনীর ক্রমাগত অপারেশনে শক্ত ঘাঁটিগুলি ধ্বংস করা, সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের গ্রেপ্তারির মতো কেন্দ্রীয় পদক্ষেপে কার্যত শিরদাঁড়া ভেঙে গিয়েছে সশস্ত্র বিপ্লবীদের। দিন কয়েক আগেই ঝাড়খণ্ডের সারান্ডার জঙ্গল যৌথবাহিনীর অভিযানে মৃত্যু হয়েছিল পুরুলিয়ার ভূমিপুত্র, মাওবাদী নেতা সুরেন্দ্রনাথ সরেন-সহ ১৭ জন মাওবাদীর। সেই অপারেশনের অল্পের জন্য বাহিনীর হাত ফসকে পালাতে সক্ষম হয়েছেন সিপিআই(মাওবাদী)-র পলিটব্যুরো সদস্য মিসির বেসরা ও আকাশ। তারও আগে বছরের গোড়ায় ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় যৌথবাহিনীর অপারেশনে নিহত হন মাধবী হিডমা নামে কুখ্যাত মাওবাদী নেতা। গত বছর এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে মাও শীর্ষ নেতা বাসবরাজুর।
বাসবরাজু ও হিডমার মৃত্যুতে মাওবাদী আন্দোলন অনেকটাই ছত্রভঙ্গ। সংগঠনের হাল ধরেছিলেন তেলেঙ্গানার নেতা দেবুজি ওরফে থিপ্পিরি তিরুপতি। এই মুহূর্তে দেশে মাওবাদী আন্দোলনে যে চারজন বড় মুখ রয়েছে, তাদের মধ্যে একজন দলের সাধারণ সম্পাদক দেবুজি। এছাড়াও টার্গেট শীর্ষ মাওবাদী নেতা বাংলার মিসির বেসরা, তেলেঙ্গানার লক্ষ্ণণরাও ওরফে গণপতি।
বাসবরাজু ও হিডমার মৃত্যুতে মাওবাদী আন্দোলন অনেকটাই ছত্রভঙ্গ। সংগঠনের হাল ধরেছিলেন তেলেঙ্গানার নেতা দেবুজি ওরফে থিপ্পিরি তিরুপতি। এই মুহূর্তে দেশে মাওবাদী আন্দোলনে যে চারজন বড় মুখ রয়েছে, তাদের মধ্যে একজন দলের সাধারণ সম্পাদক দেবুজি। এছাড়াও টার্গেট শীর্ষ মাওবাদী নেতা বাংলার মিসির বেসরা, তেলেঙ্গানার লক্ষ্ণণরাও ওরফে গণপতি।
তাঁদের আত্মসমর্পণ অথবা বাহিনীর অপারেশনে মৃত্যু হলে দেশে মাওবাদী সশস্ত্র বিপ্লবে ইতি পড়বে। সেইদিনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে আগামী ৩১ মার্চ। হাতেকলমে বাকি আর একমাসের সামান্য কিছু সময়। এর মধ্যে দেবুজি এবং রাজা রেড্ডির মতো নেতাদের আত্মসমর্পণ সেই কাজকে ত্বরান্বিত করল নিঃসন্দেহে।
