আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার যে বিমান ভেঙে পড়েছিল, তা নিছক কোনও দুর্ঘটনা নয়। ইচ্ছাকৃতভাবে বিমানের জ্বালানি সুইচ বন্ধ করে দিয়েছিলেন পাইলট! ইটালির একটি দৈনিকে এই মর্মে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। সেই রিপোর্টেরই জবাব দিল কেন্দ্র।
এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে দেশের তদন্তকারী সংস্থা বা অসামরিক বিমান পরিবহণ কর্তৃপক্ষ এখনও কোনও তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনেনি। কিন্তু ইটালির রিপোর্ট সরাসরি পাইলটের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা শুরু হয়। তা নিয়ে শনিবার কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী মুরলিধর মোহল মুখ খোলেন। ইটালিয় মিডিয়ার রিপোর্ট খারিজ করে তিনি বলেন, "আমি আপনাদের শুধু এটুকু জানাতে চাই, আমাদের তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনাটার তদন্ত করছে। আমরা আমাদের তদন্তকারী সংস্থার উপর আস্থা রাখব না কি যারা বিদেশে বসে আছে, তাদের উপর? আমাদের সংস্থাগুলি কাজ করছে। তার চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ্যে এলে তবেই এ ব্যাপারে কিছু বলা সম্ভব হবে।"
প্রসঙ্গত, ইটালির দৈনিক ‘কোরিয়ের ডেলা সেরা’ তাদের প্রতিবেদনে দু’টি সূত্রকে উদ্ধৃত করে দাবি করেছে, যান্ত্রিক ত্রুটি নয়, আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল পাইলটের পদক্ষেপের ফলেই। ইচ্ছাকৃতভাবে পাইলট বিমানের জ্বালানি সুইচ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এর ফলেই বিমানটি ক্রমশ নিচে নেমে আসে এবং ভেঙে পড়ে। এমনটাই বিশ্বাস ভারতীয় তদন্তকারীদের। এই দুর্ঘটনার জন্য পাইলট-ইন-কমান্ড ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়ালকেই প্রাথমিকভাবে দায়ী করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। জানা যাচ্ছে, ‘কোরিয়ের ডেলা সেরা’ শীঘ্রই এই সংক্রান্ত চূড়ান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। বিমান দুর্ঘটনা এড়াতে সেখানে পাইলটদের মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন এবং পর্যবেক্ষণেরও সুপারিশ করবে বলে সূত্রের খবর।
