সোমবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ৫৯ লাখ ১৫ হাজার বিবেচনাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টকে চিঠি লিখে এমনটাই জানালেন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। এমনকী মুর্শিদাবাদ এবং মালদহে সমস্ত নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে বলেও মামলার শুনানিতে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। হাই কোর্টের চিঠির কথা উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, এই দুই জায়গায় ৮ লক্ষ আপত্তি জমা পড়েছিল। কিন্তু কোনও কাজ বাকি রাখা হয়নি। তবে এদিন মামলার শুনানিতে ফের একবার ট্রাইব্যুনালের পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। যদিও নাম বাদ নিয়ে ট্রাইব্যুনালের উপরেই আস্থা রাখছে সুপ্রিম কোর্ট। এই প্রসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, ট্রাইব্যুনাল চাইলে মাধ্যমিকের নথিও দেখতে পারবে।
সোমবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ৫৯ লাখ ১৫ হাজার বিবেচনাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টকে চিঠি লিখে এমনটাই জানালেন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। এমনকী মুর্শিদাবাদ এবং মালদহে সমস্ত নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে বলেও মামলার শুনানিতে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি।
প্রথম দফার নির্বাচনের বাকি আর কয়েকটা দিন। কিন্তু বিচারাধীন তালিকায় থাকা ৬০ লাখ নামের মধ্যে ঠিক কত নাম বাদ পড়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। এমনকী ট্রাইব্যুনাল গঠন না হওয়ায় নাম বাদ যাওয়া ভোটারের ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এই পরিস্থিতিতে আজ অর্থাৎ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে এসআইআর মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে নাম বাদ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। এদিন প্রধান বিচারপতির কাছে নন্দলাল বসুর নাতির নাম বাদের বিষয়টি তুলে ধরে মেনকা গুরুস্বামী বলেন, বহু নাম বাদ পড়ছে। এই প্রসঙ্গে আইনজীবীরা বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরেন। আইনজীবী শ্যাম বলেন, ৬০ লক্ষ মামলার মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৪৪ লক্ষ মামলার তথ্য সামনে এসেছে। এর মধ্যে প্রায় ৫৫ শতাংশ ক্ষেত্রে নাম উঠেছে, আর প্রায় ৪৫ শতাংশ ক্ষেত্রে বাদ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানাতে মানুষ যেভাবে সকাল থেকে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন, সেই বিষয়টিও এদিন রাজ্যের নজরে আনেন আইনজীবীরা।
